শিরোনাম :
ভিসি পুনর্বহালের দাবি: চুয়েটে সর্বাত্মক শাটডাউন, চলছে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ সংসদে পাস হওয়া ৩ আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে: এইচআরডব্লিউ বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী তিন দাবি মানলে ঢাকায় আর ককটেল ফুটবে না’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন এরদোয়ান তেলের দাম বাড়ল ২০ টাকা- পণ্য পরিবহনে ট্রাকপ্রতি খরচ বাড়ল ৪ থেকে ৬ হাজার টাকা ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ে চরম নৈরাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

‘আনফোল্ডিং দ্যা ট্রুথ’ গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের তথ্যচিত্র প্রকাশ

  • ০১:০৭ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন দীর্ঘ তদন্ত শেষে উদ্‌ঘাটিত তথ্য এবং অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে নির্মাণ করেছে প্রামাণ্যচিত্র আনফোল্ডিং দ্যা ট্রুথ’। তথ্য- প্রমাণের ভিত্তিতে গোপন আটক কেন্দ্র উন্মোচন, ধ্বংস বা লুকিয়ে রাখা প্রমাণ উদ্ধার করাসহ গুমের পুরো চক্রটিকে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে গুম কমিশন।

বুধবার ৮ অক্টোবর এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই প্রামাণ্যচিত্রে ফুটে উঠেছে গুম কারা করতো, কীভাবে করত, গুমের পর নিখোঁজদের কোথায় এবং কীভাবে আটকে রাখা হতো, তাদের পরিণতি কী হতো এবং কারা কারা এই কাজে সরাসরি জড়িত ছিল। তদন্ত কমিশনের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা কে এম খালিদ বিন জামান জানিয়েছেন, তথ্যচিত্রটিতে কমিশন কীভাবে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে গেছে এবং সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষভাবে গোপন বন্দিশালা আবিষ্কার, নষ্টপ্রায় প্রমাণ সংগ্রহ এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টির বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়েছে।

কমিশন পুলিশ, র‍্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিণতি নির্ণয়ে নিরবচ্ছিন্ন অনুসন্ধান চালিয়েছে। একইসঙ্গে গুম হওয়া ব্যক্তিদের জন্য ‘ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স সার্টিফিকেট’ ইস্যুর সুপারিশ এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আইনের সংশোধনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর বিষয়ে নীতিগত পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

এ তথ্যচিত্র শুধু অনুসন্ধানের বিবরণ নয়; এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যচিত্রটি কমিশনের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে নিচের লিংক থেকে সরাসরি দেখা যাবে। এছাড়া কমিশন দুটি প্রতিবেদন (১, ) অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে। প্রতিবেদন দুটির প্রকাশযোগ্য অংশগুলো কমিশনের ওয়েবসাইটে রয়েছে।  

এতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে কখনো কেউ গুম হয় নাই’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে পতিত ফ্যাসিস্ট শাসন একটি অস্বীকারের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। এই প্রমাণ্যচিত্রটি ফ্যাসিস্টদের সত্য গোপন করার প্রচেষ্টাকে উন্মোচিত করবে এবং এই অনুসন্ধানগুলো আদালতে একটি অকাট্য প্রমাণ হিসেবে টিকে থাকবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech