শিরোনাম :
মঈন খান হাসপাতালে ভর্তি, দেখতে গেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১২ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো খুলনা সফর: দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কূটনীতিক ও পরিবারের সদস্যদের সৌদি ত্যাগের নির্দেশ ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ বিজয়া দশমীতে বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় প্রাণ গেল নববধূর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা হুতিরা পাল্টা আঘাত করলো সৌদি আরবে: দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, লাগবে লাইসেন্স

ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত ১৫ সেনা অফিসারকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাসদর

  • ০৮:৪১ পিএম, শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
গুমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে চাকরিতে থাকা ১৬ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন। বাকি একজন কর্মকর্তা পলাতক বলে জানিয়েছে সেনাসদর।

শনিবার ১১ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় অভিযুক্ত সদস্যদের বিষয়ে সেনাবাহিনী আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, ২৫ জন সেনাসদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অবসরে আছেন ৯ জন, এলপিআরে ১ জন, আর সেনাবাহিনীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৫ জন। ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর এলপিআর ও সার্ভিসে থাকা ১৬ জনকে সেনাসদরে সংযুক্ত হতে বলা হয়। ৯ অক্টোবরের মধ্যে সেনাসদরে আসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মাদ ছাড়া বাকি ১৫ জন এসেছেন। তাঁরা পরিবার থেকেও আলাদা থাকছেন।

কবীর আহাম্মাদের বিষয়ে মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, তিনি ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হয়েছেন। এর পর থেকে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবিকে বলা হয়েছে যেন তিনি দেশত্যাগ করতে না পারেন।

সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, গত মাসের ৫ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত সেনাবাহিনীর প্রমোশন বোর্ডের কার্যক্রম চলাকালে মেজর জেনারেল থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একত্রিত ছিলেন। এই বোর্ড শেষে অনুষ্ঠিত হয় জেনারেল কনফারেন্স ও ফরমেশন কমান্ডার কনফারেন্স, যেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল।

৮ অক্টোবর দুপুরে বোর্ড শেষে বের হওয়ার পর জানা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার চার্জশিট দাখিল হয়েছে এবং ওই দিনই ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী, ২২ অক্টোবরের মধ্যে গ্রেফতার কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেনাবাহিনী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে না পেলেও, সংবিধান স্বীকৃত সব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই জানিয়েছে সেনাসদর।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech