Breaking News:


শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা ইরানে আক্রমণাত্মক অভিযান শেষ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মায়ের দাফন সম্পন্ন বালাকোট ছিল মুসলমানদের অতীত গৌরব – মাওলানা এটিএম মা’ছুম নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় শুভেন্দুর সহকারী সহ নিহত ৫: একদিনের রাষ্ট্রপতি শাসনে পশ্চিমবঙ্গ! বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ ১৮ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে – নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত ১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের আবেদন সময় বাড়ল

  • ১১:১৪ এএম, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: প্রতিকী

।।বিকে ডেস্ক।।
ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স (অনুমোদন) পেতে আবেদনের সময়সীমা এক মাস বাড়িয়ে নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে লাইসেন্স  পেতে আগ্রহীরা আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। 

সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন জমা নেওয়া শুরু করে। সে অনুযায়ী আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর। আর এখন আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য প্রধান কার্যালয় থাকবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি হবে স্থাপনাবিহীন। অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) সেবা দেবে না।

ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই হবে অ্যাপ নির্ভর, মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রে।

একটি ডিজিটাল ব্যাংকে দিন রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে। গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংক ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না। বড় ও মাঝারি শিল্পেও কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে। ডিজিটাল ব্যাংকিং হলো অনলাইন ব্যাংকিংয়ের একটি বৃহত্তর অংশ, যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হয়।  

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech