শিরোনাম :
হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিএইচপি ত্রুটি বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতা: বন্ধ রাখা হলেও হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট স্পেন-যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ টানা ৫ দিনের ছুটি শেষ, খুলল অফিস আদালত- সড়কে যানজট, গণপরিবহনে ভিড় চেনা রূপে ফিরেছে ঢাকা তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে একাধিক বিকল্প প্রস্তাব সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সরকারকে বিব্রত করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন গোলাম পরওয়ার : রিজভী সাংবাদিক ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান আর নেই যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ৩ দিনের খাবার-পানি মজুতের জরুরী নির্দেশনা- বি রেডি ক্যাম্পেইনে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বন্ধ থাকার পর চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সৌদি আরবের রিয়াদ-দাম্মামের ১৪৪ ফ্লাইট বাতিল: ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের আবেদন সময় বাড়ল

  • ১১:১৪ এএম, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: প্রতিকী

।।বিকে ডেস্ক।।
ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স (অনুমোদন) পেতে আবেদনের সময়সীমা এক মাস বাড়িয়ে নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে লাইসেন্স  পেতে আগ্রহীরা আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। 

সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন জমা নেওয়া শুরু করে। সে অনুযায়ী আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর। আর এখন আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য প্রধান কার্যালয় থাকবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি হবে স্থাপনাবিহীন। অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) সেবা দেবে না।

ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই হবে অ্যাপ নির্ভর, মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রে।

একটি ডিজিটাল ব্যাংকে দিন রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে। গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংক ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না। বড় ও মাঝারি শিল্পেও কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে। ডিজিটাল ব্যাংকিং হলো অনলাইন ব্যাংকিংয়ের একটি বৃহত্তর অংশ, যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হয়।  

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech