Breaking News:


শিরোনাম :
বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক আজ ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে – মির্জা ফখরুল টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত ৫ ইয়াজিদ ইউরেনিয়াম কেন্দ্রে ইসরায়েলী হামলা, চড়া মূল্য আদায়ের হুঁশিয়ারি দিল ইরান ২ লাখ টন এলএনজি নিয়ে আসছে আরও ৩ জাহাজ দীর্ঘ ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মজীবী মানুষ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র : প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেল তদারকিতে সারাদেশে ভিজিলেন্স টিম গঠন : তথ্য প্রদানকারীর জন্য পুরস্কার ঘোষণা ঢাকাসহ ১৫ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো সাড়ে ৬ হাজার টাকা

ডিসেম্বরে নির্বাচন প্রস্তুতি শেষের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

  • ১২:৪২ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার ৯ জুলাই রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাত ৮টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় প্রস্তুতির আওতায় থাকবে। তিনি জানান, নির্বাচনকালে প্রায় ৮ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এই ৮ লাখ সদস্যের মধ্যে ৫ লাখ ৭০ হাজার আনসার সদস্য এবং পুলিশ সদস্য থাকবে ১ লাখ ৪১ হাজার।

তিনি বলেন, প্রস্তুতির মধ্যে অনেকগুলো বিষয় আছে। যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে (পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড) ১৭ হাজার নতুন সদস্য নেয়া হচ্ছে। তাঁদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ যেন এ সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন।

বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচনের জন্য পর্যাপ্ত লোকবল আছে কি না, যদি নতুন নিয়োগ করতে হয় তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া এখন থেকেই শুরু করে দিন। তাদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন। প্রতিদিন ট্রেনিং হবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই সকল প্রস্তুতি শেষ করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আগে যে ধরনের নির্বাচন হয়েছে সেটা ছিল ‘লোক দেখানো নির্বাচন’। নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সেজন্য একটা প্রকৃত নির্বাচন কী করে আয়োজন করতে হয় সেটার ট্রেনিং দিতে হবে। কার কী ভূমিকা সেটা পরিষ্কার থাকতে হবে। দরকার হলে রিহার্সাল নির্বাচন করতে হবে যাতে অনুশীলন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ভোটারদের জন্য কিছু নতুন পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী ভোটারদের জন্য আলাদা বুথ রাখার সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে অনেক পাঁয়তারা হতে পারে, যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়।

শফিকুল আলম বলেন, ভোটের আগে যে কোনো ধরনের ভায়োলেন্সকে যেন প্রতিহত করা যায় এবং ভোটের পরেও আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি যাতে ঠিক থাকে সেটা নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। এজন্য নির্বাচনের সময় ৭দিন যাবৎ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ডিসি, এসপি, ওসি, ইউএনওদের রদবদল করার কথা বলা হয়েছে।

১৬ হাজার ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বৈঠকে এমন আলোচনায় হয়েছে উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন,এসব ভোটকেন্দ্রে কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পরিচালনা করা যায়-তার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রেস সচিব জানান, প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্র যেন সিসিটিভির আওতাভুক্ত থাকে তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন প্রধান উপদেষ্টা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার জানান, শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন থাকাকালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যেসব কর্মকর্তা প্রিজাইডিং ও পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদেরকে বাদ রেখে অন্য কর্মকর্তাদের দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech