।। বিকে ডেস্ক ।।
ঈদের আনন্দ প্রিয়জনের সঙ্গে ভাগ করে নিতে নাড়ির টানে ঘরমুখো হচ্ছে মানুষ। ফলে চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে করটিয়া বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতি রয়েছে। খোলা ট্রাক-পিকআপে শিশু-বৃদ্ধ ও নারী-পুরুষসহ সকল বয়সী মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টায় মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস, রাবনা বাইপাইস, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন পয়েন্টে মহাসড়কে মানুষের ঢল নেমেছে। পরিবহন সংকট ও ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ার কারণে বেশির ভাগ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে যাচ্ছেন। অনেকেই ভাড়ায়চালিত প্রাইভেটকার ও নিজস্ব মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন। মহাসড়কে ধীরগতি হওয়ার ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
নারীযাত্রী রেহেনা বেগম বলেন, ‘আমি রাজশাহী যাবো। চন্দ্রার পর থেকে যানজট। একটু যায়, আবার আটকে যায়। এভাবে ৮ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল আসলাম।’
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, মহাসড়কে যানবাহন বিকল হওয়া যানবাহনের চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে মহাসড়কে ধীর গতির সৃষ্টি হয়েছে। যমুনা সেতু থেকে পৌলি পর্যন্ত যানবাহনের ধীরগতি রয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।