।।বিকে রিপোর্ট।।
বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাওয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ করে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য- বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।
রবিবাবার ১৭ আগস্ট শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি–২০২৫’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রায় দুই দশক পর আবারও জনপ্রিয় এই প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে বিটিভিতে।
মাহফুজ আলম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে (১৯৭৬ সালে) এই অনুষ্ঠান চালু হয়েছিল। তবে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ দেশের শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

বর্তমান সরকার রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের শিশু-কিশোর ও তরুণদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ করে দিচ্ছে।
আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আয়োজন সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বর নাগাদ চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানের কাঠামোতে তেমন পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের মতোই গান, নৃত্য, বক্তৃতা, উপস্থাপনা, গল্প বলাসহ বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরোনো থিম সং ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রতিবছর নতুন থিম সং প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তৃণমূল থেকে প্রতিভা বাছাই করা হবে। বিচারপ্রক্রিয়ায় বিভাজন কমাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেউ নিরপেক্ষতার বাইরে গিয়ে সুযোগ নিতে চাইলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। এ সময় তথ্য মন্ত্রণালয় এবং বিটিভির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা শিশুদের সঙ্গে ‘নতুন কুঁড়ি’র গান শোনেন ও কণ্ঠ মেলান। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও শুরু হয়।