।।বিকে ডেস্ক।।
গাজা উপত্যকায় চলমান নৃশংসতার বিষয়ে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের নীরবতা ভাঙতে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের উদ্যোগে পরিচালিত ‘মিডিয়া ফ্লোটিলা’ অভিযানে অংশ নেওয়া দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের প্রতি সম্মান জানিয়েছেন ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাস।
বাংলাদেশ সময় বুধবার ১ অক্টোবর রাতে ফিলিস্তিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে শহিদুল আলমের প্রশংসা করা হয়।
ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাস তিনটি ছবি পোস্ট করে লিখেছে, গাজার ওপর ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে পাঠানো ‘গ্লোবাল সুমুদ মিডিয়া ফ্লোটিলা’-তে অংশ নিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী, শিক্ষক ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম।
এই সাহসী অভিযানে অংশগ্রহণ করায় ফিলিস্তিন দূতাবাস তার প্রতি গভীর সম্মান জানাচ্ছে।
শহিদুল আলমকে উদ্ধৃত করে পোস্টে বলা হয়, আমি বাংলাদেশ থেকে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে যাচ্ছি, কিন্তু বাংলাদেশের সকল মানুষের ভালোবাসা আমার সঙ্গে বহন করছি। গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা। এই সংগ্রামে যদি আমরা পরাজিত হই, তাহলে মানবতা নিজেই পরাজিত হবে।
শহিদুল আলম বলেন, সারা পৃথিবীর জনগণ ফিলিস্তিনিদের পুরোপুরি সমর্থন জানিয়ে পাশে দাঁড়ায়, সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী ফিলিস্তিনে এত বড় একটা গণহত্যায় কিছুই করতে পারছে না। বিভিন্ন দেশের জনগণ নিজেদের মতো করে একধরনের রেজিস্ট্যান্স (প্রতিরোধ) রাখছে, যেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। যার অংশ হিসেবে এই ফ্লোটিলা হচ্ছে। এই যাত্রায় অনেক বিপদ থাকতে পারে। কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমরা আদৌ পৌঁছাতে পারব কি না, জানি না। এসব মেনে নিয়েই সবাই অংশ নিচ্ছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের উদ্যোগে পরিচালিত ‘মিডিয়া ফ্লোটিলা’ অভিযানে অংশ নেওয়ার তথ্য জানান শহিদুল আলম। তিনি ২৮ সেপ্টেম্বর ইতালির উদ্দেশে রওনা করেন। সেখান থেকেই গাজার উদ্দেশে এই ফ্লোটিলায় তিনি অংশ নেন।