Breaking News:


শিরোনাম :
ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, বাড়তে পারে তাপমাত্রা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ মার্কিন বিমানকে নিজ আকাশসীমা ব্যবহারের ‘অনুমতি দেয়নি’ সৌদি আরব ও কুয়েত বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা ইরানে আক্রমণাত্মক অভিযান শেষ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মায়ের দাফন সম্পন্ন বালাকোট ছিল মুসলমানদের অতীত গৌরব – মাওলানা এটিএম মা’ছুম

বাংলাদেশে আর যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন না ঘটে, নিশ্চিত করতে হবে: টুর্ক

  • ১২:১৯ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে ডেস্ক।।
বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়ন যেন আর না ঘটে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক।

বুধবার ১৫ অক্টোবর জেনেভা থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

ভলকার টুর্ককে উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আগের সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জবাবদিহির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রথম জোরপূর্বক গুমের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে। নিহতদের এবং তাদের পরিবারের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

এতে বলা হয়, গত সপ্তাহে দেশটির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ‌‘টাস্ক ফোর্স ফর ইনট্রোগেশন সেল’ এবং ‘যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেলের’ বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গুম ও নির্যাতনের সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়।

ট্রাইব্যুনাল বেশিরভাগ সাবেক, তবে কিছু কর্মরত সামরিক কর্মকর্তার জন্যও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) বেশ কয়েকজন সাবেক মহাপরিচালক, পাশাপাশি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাবেক কর্মকর্তারাও।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শনিবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘোষণা দেয় যে, তারা পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাদের এক ডজনেরও বেশি কর্মকর্তাকে আটক করেছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ফৌজদারি কার্যক্রমের জন্য আটকদের সেনাবাহিনীর অবিলম্বে উপযুক্ত বেসামরিক আদালতে হাজির করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

টুর্ক বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে নিশ্চিত করা যথাযথ প্রক্রিয়া ও সুষ্ঠু বিচারের সবচেয়ে কঠোর মানদণ্ডের প্রতি আমি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি। এসব স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলায় ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, গত বছর ছাত্রদের নেতৃত্বে বিক্ষোভের সময় যারা মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত, তাদের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেই জবাবদিহিতার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছিল জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে।

হাইকমিশনার বিপুলসংখ্যক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কিছু মামলা আগের প্রশাসনের সময় করা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় যথাযথ প্রক্রিয়া ও ন্যায্যবিচার নিশ্চিত করা এবং নির্বিচারে আটক থাকা ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়া জরুরি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জোরপূর্বক গুম থেকে বেঁচে আসা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে বিগত সরকারের সমর্থক ও সাংবাদিকরাও রয়েছেন। তাদের অনেকে কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। অভিযোগের গুরুত্ব যাই হোক না কেন, চলমান কোনো মামলায় যেন মৃত্যুদণ্ডের রায় না দেওয়া হয়।

টুর্ক বলেন, ব্যক্তিগত জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে ভালো পথ হলো সত্য বলা, ক্ষতিপূরণ, নিরাময় ও ন্যায়বিচারের একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও এ ধরনের নিপীড়ন যেন আর না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আমি এখনকার উদ্বেগগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের নিরিখে মোকাবিলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech