শিরোনাম :
ভিসি পুনর্বহালের দাবি: চুয়েটে সর্বাত্মক শাটডাউন, চলছে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ সংসদে পাস হওয়া ৩ আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে: এইচআরডব্লিউ বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী তিন দাবি মানলে ঢাকায় আর ককটেল ফুটবে না’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন এরদোয়ান তেলের দাম বাড়ল ২০ টাকা- পণ্য পরিবহনে ট্রাকপ্রতি খরচ বাড়ল ৪ থেকে ৬ হাজার টাকা ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ে চরম নৈরাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

সংসদে পাস হওয়া ৩ আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে: এইচআরডব্লিউ

  • ০৩:২২ পিএম, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি: কোলাজ বিকে

।।বিকে ডেস্ক।।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গত সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিনটি নতুন আইন দেশের মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এমন দাবী জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব আইনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া বেশ কিছু ইতিবাচক সুরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত বা বাতিল করা হয়েছে, যা গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে।

এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে প্রধানত তিনটি আইনের সমালোচনা করা হয়েছে। প্রথমত, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) আইন। সংস্থাটির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে কমিশনকে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত ও আটককেন্দ্র পরিদর্শনের যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, নতুন আইনে তা সীমিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারের প্রভাব বাড়ানো এবং কমিশনের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন। এইচআরডব্লিউ বলছে, নতুন আইনে গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব কমিশনের হাত থেকে সরিয়ে ফের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে গোপন আটককেন্দ্র পরিদর্শনের ক্ষমতাও। এছাড়া গুমের ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায়বদ্ধতা বা ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ প্রমাণে এখন থেকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার প্রমাণ লাগবে, যা বিচার প্রক্রিয়াকে কঠিন করবে।

তৃতীয়ত, র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ করার সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। এইচআরডব্লিউ জানায়, বাহিনীটির নাম এবং লোগোতে সামান্য পরিবর্তন ছাড়া জনবল, ক্ষমতা ও সম্পদ সবই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন তদারকি ও জবাবদিহির কোনো কার্যকর ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

এইচআরডব্লিউর এশিয়া বিষয়ক পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেন, অতীতের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে নিরাপত্তা খাতে প্রকৃত সংস্কার এবং স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মানবাধিকার সংস্থা প্রয়োজন। নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহির বাইরে রাখা হলে মানুষের আস্থা ফিরবে না।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করার এই দাবি নাকচ করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে জানিয়েছেন, নতুন আইনের মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনকে বরং আরও বেশি স্বাধীন ও কার্যকর করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech