শিরোনাম :
দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ কৃষ্ণসাগরে তেলবাহী জাহাজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা: ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএমসহ বিভিন্ন সেবা বন্ধ, কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার নির্দেশনা আমি যেতে চাই না, আমি এই মাঠ ছাড়তে চাই না: আবেগ, অশ্রুতে মেসির বিদায় আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, বিকালের মধ্যে হালকা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ

  • ০২:৩০ পিএম, বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
দেশব্যাপী পরিচালিত হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে সফলভাবে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

বুধবার ৭ অক্টোবর হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজাতে সরকার নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী ইশতেহারে কোটি কোটি নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, সে অনুযায়ী কাজ চলমান রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার হাম প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং তৃণমূল স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় দুই কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

প্রতিটি শিশুর জীবনকে মূল্যবান উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই কোটি শিশুকে টিকা দিয়ে সরকার থেমে থাকছে না; লক্ষ্য হলো একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে। এ কারণে বর্তমান পর্যায়টিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দুর্গম ও দূরবর্তী চরাঞ্চল বা পাহাড়ি এলাকার শিশু, শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের দফায় বাদ পড়া শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিহ্নিত করে টিকা নিশ্চিত করা হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech