শিরোনাম :
১৯,৬৪১ টন কোরবানির বর্জ্য ডাম্পিং করেছে ডিএসসিসি ঈদের দিন পাকিস্তানে সর্বোচ্চ ৫১.৫ তাপমাত্রার রেকর্ড শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি বিএসএফের গুলিতে নিহত মুরসালিনের বাসায় জামায়াত নেতারা গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ নেতানিয়াহুর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ঈদের দ্বিতীয় দিনে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত ১৮ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু ভারতে ঝড়ের সময় নির্মাণাধীন সেতু ধসে নিহত ৬

ডায়াবেটিস রোগীরা কি ইফতারে খেজুর খেতে পারবেন

  • ০৩:৪১ পিএম, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ইফতারের সময় খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা অনেকেরই প্রিয় অভ্যাস। ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি খেজুর দ্রুত শক্তি জোগায় বলে এটি জনপ্রিয়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে—খেজুর খেলে কি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাবে?

খেজুরে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজসহ প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে এতে রয়েছে আঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই খেজুরের প্রভাব একেবারে নেতিবাচক বা ইতিবাচক—দুটির কোনো একটিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি নির্ভর করে খাওয়ার পরিমাণ ও ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।

খেজুর কতটা মিষ্টি?

পুষ্টিবিষয়ক বিভিন্ন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, খেজুরে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি হলেও এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাধারণত মাঝারি থেকে কম পর্যায়ে থাকতে পারে। ফলে সীমিত পরিমাণে খেলে এটি সব সময় খুব দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়ায় না।

ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেতে পারবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা চাইলে খেজুর খেতে পারেন, তবে অবশ্যই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সাধারণভাবে ইফতারে একটি মাঝারি আকারের খেজুর খাওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিরাপদ ধরা হয়, যদি দৈনিক খাদ্যতালিকা সুষম থাকে।

কতটা খাওয়া ভালো?

একসঙ্গে তিন থেকে চারটি খেজুর খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই একটি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করে এরপর পানি পান করা এবং ডাল, ডিম বা ছোলার মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ভালো। এতে রক্তে শর্করার হঠাৎ ওঠানামা কম হতে পারে।

খালি পেটে খেলে কী হয়

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীর দ্রুত গ্লুকোজ শোষণ করে। তাই খেজুর খাওয়ার পর অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত।

কখন সতর্ক হবেন

যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নেই বা যাদের ইনসুলিনের ডোজ সমন্বয় করা হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেজুর খাওয়া ভালো। রোজার সময় নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, ডায়াবেটিস থাকলে খেজুর পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই নিরাপদ থাকার মূল উপায়।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech