Breaking News:


শিরোনাম :
রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত শিশু রামিসা: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সকলের বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক শুরু আজ আজ বিক্রি হচ্ছে ৩১ মে’র ফিরতি টিকিট দেশের মানুষ জামায়াতকে ক্ষমতায় আনবে না: মির্জা ফখরুল যুদ্ধবিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা করলে ‘আরও অনেক চমক’ দেখাবে ইরান : আরাগচি বেপজা ইকোনমিক জোনে ১৫ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করবে সানশাইন আউটডোর: লিজ চুক্তি স্বাক্ষর গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় সরকার একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না : তথ্যমন্ত্রী দেশের ১২টি জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার : প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ চীন সাগরে একশত মিলিয়ন টন মজুদের তেলের খনি আবিষ্কার

  • ১২:৩৬ পিএম, বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫
ছবি: অফশোর এনার্জি

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
পূর্ব দক্ষিণ চীন সাগরে একটি নতুন তেলের খনির সন্ধান পেয়েছে চীন। চীনের জাতীয় তেল কোম্পানি চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল কর্পোরেশন (সিএনওওসি) খনিটি আবিষ্কার করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে চীনের সরকারি বার্তাসংস্থা সিনহুয়া।

সোমবার ১ এপ্রিল দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, হুইঝো ১৯-৬ তেলক্ষেত্রটি দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের শেনজেন থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

নতুন এই খনিটিতে মজুদ তেলে পরিমান ১০ কোটি টনেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খনিতে গ্যাসও সেখানে রয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও হিসেব করা হয়নি। সিএনওওসি জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক খনন থেকে দৈনিক ৪১৩ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ৬৮ হাজার ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন হয়েছে।

সিনহুয়া জানিয়েছে, এ পর্যন্ত চীনের সাগর ও উপকূল অঞ্চলে যত তেলের খনি পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে হুইঝৌ ১৯-৬ বৃহত্তম এবং আগেকার অন্যান্য খনিগুলোর তুলনায় এটির অবস্থান সাগরের সবচেয়ে গভীরে।

রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানির সিইও ঝোউ সিনহুয়াই ’দক্ষিণ চীন সাগরের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ধারাবাহিক সাফল্যের’ প্রশংসা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সিএনওওসি ‌‘পরপর দুই বছর ধরে ১শ’ মিলিয়ন টন তেলক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে, যা অফশোর তেল ও গ্যাস উৎপাদনের ক্রমাগত বৃদ্ধির জন্য একটি নতুন মেরুকরণ তৈরি করে।

মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসন বলছে, দক্ষিণ চীন সাগর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আঞ্চলিক বিরোধের কারণে অপ্রকাশিত, তবে আবিষ্কৃত বেশিরভাগ তেল ও গ্যাসের মজুদ অপ্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের সীমানা নিয়ে ফিলিপাইন, জাপান ও সাগরের তীরবর্তী অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ব্যাপক দ্বন্দ্ব রয়েছে চীনের; প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিযোগ, চীন প্রতিনিয়ত অন্যান্য দেশের সমুদ্রসীমা দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে হুইঝৌ ১৯-৬-এর অবস্থান সাগরের কোনো বিতর্কিত স্থানে নয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নিজস্ব ইকোনমিক জোনের মধ্যে পড়েছে খনিটি। এই অঞ্চল বা জোনের বিস্তৃতি ২০০ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল=১ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার)।

চীন বরাবরই জ্বালানি নিরাপত্তাকে খুব গুরুত্ব দেয়। বর্তমানে দেশটি বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি তেল আমদানিকারী দেশ। গত বছর প্রতিদিন ১ কোটি ১১ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে। সেদিক বিবেচনায় হুইঝৌ ১৯-৬-এর আবিষ্কার চীনের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সুখবরই বটে।

সূত্র : সিনহুয়া ও রয়টার্স।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech