শিরোনাম :
সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ: আটক ২ ১৮ ঘণ্টায় লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা এক ভবন থেকে ৬৩ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার, যা করছিলেন তারা চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযানে ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দি ২ হাজার পরিবার ইসলামী আন্দোলনের অনুষ্ঠানে নারী সাংবাদিকদের পর্দা করে আসতে হবে- ফয়জুল করীম ইয়েমেন উপকূলে অগ্রযাত্রা, হুতিদের দখলে মোখা বন্দর: হুমকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ শতভাগ সরকারী পে স্কেল: দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত প্রয়োজন : সংস্কার না করে কোনো নির্বাচনে ভালো ফল পাওয়া যাবে না: তোফায়েল আহমেদ

  • ১০:৩৩ এএম, সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫
ছবি: পিআইডি

।।বিকে রিপোর্ট।।

দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ সব জায়গায় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই শূন্যতার কারণে একটা অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে, তাই স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আশু দেয়ার প্রয়োজন। বলেছেন, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. তোফায়েল আহমেদ।

তবে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে কোনটি আগে হবে সেই সিদ্ধান্ত সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে একমত হয়ে নিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, সংস্কার না করে জাতীয় সংসদ আর স্থানীয় সরকার- কোনো নির্বাচন করেই ভালো ফল পাওয়া যাবে না।

রবিবার ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে স্থানীয় সরকার কমিশনের প্রতিবেদন দাখিল পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশন প্রধান অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

ব্রিফিংয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটা করলে আর একটা করা যাবে না, এ জাতীয় শর্ত মনে হয় ঠিক না। কোনটা আগে, কোনটা পরে সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেবে। আমরা কেবল নির্বাচনের প্রয়োজনের কথা বলছি।

তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের বিষয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার সুপাশির রাখা হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে ৯টি করে ওয়ার্ড আছে, কিন্তু কোনো কোনো ইউনিয়ন পরিষদে জনসংখ্যা অনেক বেশি। এ জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে একটা ইউনিয়নে ৯টা থেকে শুরু জনসংখ্যা বিবেচনায় ওয়ার্ডের সংখ্যা ৫৯টি পর্যন্ত করা যাবে।

অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বলেন, জেলা পরিষদে জনগণের কোনো ভোটাধিকার নেই। এই যে বিভিন্ন ধরনের কাঠামো ও আইন এটা একটা বিরাট বাধা, আমরা চেষ্টা করেছি সংগঠন কাঠামো, আইন কাঠামো— দুটি সংস্কার করে সমপর্যায়ে নিয়ে আসা।

সেজন্য আমরা তৃণমূল পর্যায় থেকে কীভাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি চালু করা যায় এবং সংসদীয় ব্যবস্থার একটা প্রতিরূপ স্থাপন করার চেষ্টা করেছি। একই সুপারিশ পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রেও। সুতরাং, এখন যদি আমাদের সুপারিশ অনুযায়ী পুনঃস্থাপন করা হয়, তাহলে কিন্তু ইউনিয়ন থেকে সিটি করপোরেশন একই রকম কাঠামো হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech