।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
হামাস আরও চারজন মৃত জিম্মির মরদেহ ফিরিয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
মঙ্গলবার ১৪ অক্টোবর গভীর রাতে রেড ক্রসের তত্ত্বাবধানে মরদেহগুলো কফিনে করে ইসরায়েলি সেনাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
এই হস্তান্তর এমন এক সময় হয়েছে, যখন ইসরায়েল সতর্ক করেছিল যে, হামাস সব (২৮ জন) মৃত জিম্মির মরদেহ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত গাজায় সাহায্য সীমিত করা হবে। এর আগে সোমবার হামাস ২০ জন জীবিত এবং ৪ জন মৃত জিম্মিকে ফিরিয়ে দিয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন যুদ্ধবিরতি চুক্তি, যা ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই গ্রহণ করেছে, সে অনুযায়ী সব মিলিয়ে ৪৮ জন জিম্মিকে সোমবার দুপুরের মধ্যে ফেরত দেওয়ার কথা ছিল।
এই চুক্তির অধীনে হামাসের কাছে থাকা নিহত জিম্মিদের দেহাবশেষ হস্তান্তর করতে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে ইসরাইল। এজন্য হামাসকে শাস্তি দিতে গাজায় মানবিক ত্রাণ ট্রাকের সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে আনার ঘোষণার পর মৃতদেহগুলো ফিরিয়ে দিলো হামাস।
অন্যদিকে, রেড ক্রস এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরাইলে আটক ৪৫ জন ফিলিস্তিনির দেহাবশেষও মঙ্গলবার গাজায় ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিবিসি জানায়, যদিও সমস্ত জীবিত জিম্মিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে, হামাস এখনও তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে পারেনি এমন ২০ জন জিম্মির দেহাবশেষ নিয়ে হামাস এবং ইসরাইলি সরকারের উপর চাপ বাড়ছে। ফিলিস্তিনিরা ক্রমশ উদ্বিগ্ন যে, হামাসের মৃতদেহ ফেরত দিতে বিলম্ব যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
তবে হামাস বলেছে, মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ খুঁজে পেতে তাদের অসুবিধা হচ্ছে।
এদিকে, হামাস যোদ্ধারা গাজায় নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে রাস্তায় শত শত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে এবং ইসরাইলের সাথে সহযোগিতার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ডও দেয়।