শিরোনাম :
আলোচনায় না এলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের- সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেল ইরান বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী ফ্রান্সকে ২-০তে বিদায় করে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন পাঁচ অঞ্চলে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা পৌঁছাতে কাতারের পথে স্পিকার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরুদ্ধ: অচল ধানমন্ডি–নিউমার্কেট, তীব্র যানজট

এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে মোদি-পুতিন কোলাকুলি : ট্রাম্পের শুল্কচাপে ত্রিদেশীয় ঐক্য আরও গভীর

  • ১১:১০ এএম, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
চীনের বন্দর শহর তিয়ানজিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা গেছে।

দুই নেতাই সম্মেলনে একসঙ্গে হাজির হন। তাদের সঙ্গে ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্মেলন শুরুর আগে মোদি ও পুতিন একসঙ্গে হেঁটে প্রবেশ করেন। এসময় তারা করমর্দন ও কোলাকুলি করেন। পরবর্তীতে মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পুতিনের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন।

মোদি লিখেছেন, তার (পুতিন) সঙ্গে দেখা করা সবসময়ই আনন্দের। আজকের সম্মেলনের ফাঁকে মোদি-পুতিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গতকাল মোদি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানায়, প্রেসিডেন্ট শি বৈঠকে মোদিকে বলেন, চীন ও ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং সহযোগিতার অংশীদার। দুই দেশ একে অপরের জন্য হুমকি নয়, বরং উন্নয়নের সুযোগ—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।  

উল্লেখ্য, এসসিও একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্লক যা ২০০১ সালে চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ভারত ও পাকিস্তান সংস্থাটির পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। বর্তমানে ইরান ও বেলারুশসহ এই জোটের সদস্য সংখ্যা ১০।

মোদীর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বাণিজ্যিক ইস্যুতে তিক্ততার মধ্য দিয়ে চলছে। বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গত আগস্টের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের উপর ২৫% শুল্ক আরোপ করে। এছাড়াও, রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধ করতে ভারতের অস্বীকৃতির জের ধরে সম্প্রতি দেশটির উপর অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক দেওয়া হয়েছে, যা মোট শুল্ককে ৫০%-এ নিয়ে গেছে।

এই পরিস্থিতিতে চীন, ভারতের পক্ষ নিয়ে মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির বিরোধিতা করেছে।

নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং গত সপ্তাহে বলেন, আমেরিকা ভারতের উপর ৫০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে এবং আরও আরোপের হুমকি দিচ্ছে। চীন দৃঢ়ভাবে এর বিরোধিতা করে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মুখে, নীরবতা বা আপস কেবল ধর্ষকদের সাহস জোগায়। চীন দৃঢ়ভাবে ভারতের পাশে থাকবে।

এর আগে ২০২০ সালের সীমান্ত সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সৈন্য নিহত হওয়ার পর ভারত-চীন সম্পর্কের অবনতি হয়। তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সময় মোদী ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পর থেকে দুদেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে।

রিপোর্টে আরও জানানো হয়, মস্কো, বেইজিং ও নয়াদিল্লির শীর্ষ কর্মকর্তারা রাশিয়া-ভারত-চীন (আরআইসি) ত্রিপক্ষীয় ফর্ম্যাট পুনরুজ্জীবিত করার কথাও বলেছেন। এই ফর্ম্যাটের অধীনে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়মিত বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে পারে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech