।।বিকে ডেস্ক রিপোর্ট।।
ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বাংলাদেশের সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। সুপ্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশিরা কখনোই ঔদার্য, পারস্পরিক শুভেচ্ছাবোধ ও অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা হারায়নি। এখানে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি সেই বন্ধন অটুট রাখতে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে শুক্রবার ১৫ আগস্ট দেওয়া বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি তাদের অব্যাহত কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আমি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাই বোনদের জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আমি তাদের অব্যাহত কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করি।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতে জন্মাষ্টমী ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিন।’
তিনি আরও বলেন, ভগবান শ্রী কৃষ্ণ একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং দুষ্টদের বধ করে এই পৃথিবীকে পাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, সব ধর্মের মর্মবাণী সম্প্রীতি, মানবকল্যাণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অন্যায়, অনাচার ও দুঃশাসন দমন করে ন্যায়, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার বাণী ও কর্ম থেকে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শিক্ষা নিয়ে অসহায় ও মজলুম মানুষ প্রেরণা পাবে।
ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুপ্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশিরা সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করছে। বিএনপি সেই বন্ধন অটুট রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এ ছাড়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের অব্যাহত সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।