শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা পৌঁছাতে কাতারের পথে স্পিকার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরুদ্ধ: অচল ধানমন্ডি–নিউমার্কেট, তীব্র যানজট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জে বন্যাকবলিত দুর্গম এলাকার মানুষের পাশে বিজিবি মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতির তদন্ত হবে : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোটের প্রভিশন না থাকলে ২৬’র নির্বাচন হওয়ারও সুযোগ নেই- ওয়াকআউটের পর বিরোধী দলের নেতা ইয়েমেনের সব বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা: সৌদির বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের পাল্টা হামলা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় মসৃণ উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট ১৯ অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

৩০-৩৫ শতাংশ শ্রমিকের বেতন-বোনাস না হওয়া উদ্বেগজনক- ইসলামী আন্দোলন

  • ১২:২৮ পিএম, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
ছবি: বিকে কোলাজ

।।বিকে রিপোর্ট।।
ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ কারখানার শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানার বোনাস দেওয়া হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বলেছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমদ।

সোমবার ১৬ মার্চ এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদুল ফিতর বাঙালি মুসলমানের প্রধান উৎসব। এই ঈদের সঙ্গে অনেক ধরনের আনন্দ, আবেগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে থাকে। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির কাছে অন্য সদস্যদের নানা আবদার থাকে।

তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তেও বেতন-বোনাস পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে, পরিবারের ছোট সন্তানরা মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে। অবিলম্বে আজ ও কালকের মধ্যে সবার বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে হবে। মাসের ১৬ তারিখ হয়ে গেলেও কেন বেতন বাকি রাখা হলো এবং ঈদের পাঁচ দিন আগেও কেন বোনাস দেওয়া হলো না, তা জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

শ্রমিকের প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে এমন গড়িমসিকে শাস্তির আওতায় আনা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের নজরদারির অভাব রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সক্রিয় হলে এবং কারখানা মালিকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে ১৫ রোজার মধ্যেই তারা বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে বাধ্য হতো। কিন্তু মালিকরা ধনিক শ্রেণির হওয়া এবং তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে সরকার এ বিষয়ে উদাসীন থাকে।

ফলে প্রতিবছর ঈদ এলেই শ্রমিকদের দেনা-পাওনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা কোনো কোনো বছর সহিংস আন্দোলনের জন্ম দেয়। নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল যে, তারা অন্তত এবার শ্রমিকদের পাওনা সময়মতো আদায়ের ব্যবস্থা নেবে। সময়মতো না হলেও এখনও সুযোগ আছে; দ্রুততারসঙ্গে বকেয়া বেতন-ভাতা আদায়ের ব্যবস্থা নিন।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech