শিরোনাম :
পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের ভারতে বসে দেশে ফেরার ছক কষছেন আ’ লীগ নেতারা ঐতিহাসিক বিজয়ে তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা ভোট বয়কটের কোনো পরিকল্পনা নেই ১১ দলীয় জোটের: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি: যমুনার সামনে বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি ছোঁড়েনি জাবেরের ওপর হামলা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক : তাসনিম জারা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে, বললেন ট্রাম্প প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং: ৮.০২ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য অর্ডার পেল বাংলাদেশ

ডাকসু ভিপি থেকে পাঁচবারের এমপি আমান উল্লাহ আমান

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধারাবাহিক নির্বাচনি সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি পঞ্চমবারের মতো জাতীয় সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- তিনি যে পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, সবগুলোতেই জয়ী হয়েছেন; জাতীয় নির্বাচনে কখনো পরাজয়ের মুখ দেখেননি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি নির্বাচিত হন। ছাত্রনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন।

আমান উল্লাহ আমান ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রতিটি নির্বাচনেই বিজয়ী হন। সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে তিনি ১ লাখ ৬৩ হাজার ২২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৭০৮ ভোট।

নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনি জটিলতা ও মামলার কারণে তিনি অংশ নিতে পারেননি।

যে পাঁচবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, প্রতিবারই বিজয়ী হয়েছেন—যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করলে আমান প্রথমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে পুনরায় দল সরকার গঠন করলে তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি ২৮ অক্টোবর ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক নির্বাচনি জয়, ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বে উত্তরণ এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে আমান উল্লাহ আমান দেশের রাজনীতিতে একটি স্থিতিশীল ও প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।

ডাকসু ভিপি থেকে পাঁচবারের নির্বাচিত এমপি—এই যাত্রাপথ তাকে সমর্থকদের কাছে ‘৫–এ ৫ জয়ী’ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech