Breaking News:


শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হলে ‘আরও ভয়াবহ’ প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই- সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ফরিদপুরের কৃষকদের ডিজেল সংগ্রহে ৪টি পাম্প নির্ধারণ করে দিল প্রশাসন মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১ শতাংশে সংবিধান কখনো সংস্কার হয় না, সংশোধন হয়: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাঁচ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা মঙ্গলবার ইরানে সবকিছু গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে: ট্রাম্প সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস ভারতীয় সীমান্তে চার দিন ধরে পড়ে আছে বাংলাদেশির ‘গুলিবিদ্ধ লাশ’

ধর্ষণ মামলায় টিকটকার প্রিন্স মামুন গ্রেফতার

  • ০১:১৫ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

বিকে রিপোর্ট । মঙ্গলবার | জুন ১১, ২০২৪ | ১২:৩১ পিএম

সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে (২৫) ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লায়লা আখতার ফারহাদের ধর্ষণ মামলায় সোমবার ১০ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে বিয়ে না করার অভিযোগে লায়লা আক্তার ফারহাদ রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ফৌজদারি বিধির ৩২৩, ৩০৭ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করেন। মামলার পর আদালতের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মঙ্গলবার ১১ জুন তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান বলেন, প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা রয়েছে। কুমিল্লার পুলিশ তাকে হস্তান্তর করবে। আমাদের টিম কুমিল্লায় যাচ্ছে।

মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে আমার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে। সে আমাকে জানায়, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনও বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানায়। তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দিই।

তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকে। ওই দিন থেকে সে আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার মা-বাবা মাঝেমধ্যেই বাসায় এসে অবস্থান করতো।

আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয়ে বললে সে বিভিন্ন অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করতে থাকে। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার আমাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে আমি তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।

এ ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ প্রিন্স মামুন বলেন, গত ডিসেম্বরে মাঝরাতে লায়লা ও আমার দু’জনার মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তখন উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। যা পরবর্তীতে মামলায় গড়ায়। বিষয়টি এখন আইনিভাবে মোকাবিলা করব আমি।

মামুন আরও বলেছেন, সে (বাদী) বলেছিল মামলাটি তুলে নেবে। এ কারণে আমিও আর আদালতে কোনও হাজিরা দিইনি। আর আদালতে হাজিরা না দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

কে এই বহুল আলোচিত টিকটকার প্রিন্স মামুন ও লায়লা আক্তার ফারহাদ?

প্রিন্স মামুনের উত্থান মূলত সোশ্যাল মিডিয়া ‘টিকটক’ ও ‘লাইকি’র সুবাদে। বাংলাদেশে এসব অ্যাপ জনপ্রিয়তার পেছনে কিছুটা হলেও মামুনের ভূমিকা আছে। নিজের করা মিউজিক ভিডিও সেখানে পোস্ট দিতেন মামুন। সেখান থেকেই তার পরিচিতি এবং জনপ্রিয়তা।

একটা সময়ে নাচ শিখেছেন মামুন। সেই নাচের ভিডিও অনলাইনে শেয়ার দিতেন। শেয়ার দিতেন অনেক মজার ভিডিও। এভাবেই তার ফলোয়ারের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অনলাইন থেকে তার জনপ্রিয়তার ঢেউ এসে পড়লো অফলাইনেও। বলা যায়, বাংলাদেশে টিকটকারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই টিকটকার মামুন। তার ফলোয়ার বা অনুসারীর সংখ্যাও অগণিত। এখন তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে শোরুম বা দোকান উদ্বোধন করেন।

লায়লা আক্তার ফারহাদও টিকটকের আলোচিত নাম। ফেসবুক-ইউটিউবের সামাজিক মাধ্যমে লায়লাকে সঙ্গে করে বিনোদনভিত্তিক কন্টেন্ট বানিয়ে বরাবরই আলোচনায় ছিলেন মামুন। এই জুটি নানা সময়ে আলোচনায় থেকেছেন। কখনও ঝগড়া করে, কখনও মামুনের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ তুলে। আবার কখনও মামুনের নামে লায়লা অভিযোগ তুলেছেন শারীরিক অত্যাচারেরও। তবে এবার সব ছাপিয়ে লায়লা মামুনের নামে করলেন বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা!

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech