Breaking News:


নতুন শক্তির কথা বলে ওনারা উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি- দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

  • ০৮:৫৭ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
ওনারা নতুন শক্তির কথা বলে শেষ বিচারে যেয়ে একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে অনেক ক্ষেত্রে জিম্মি হয়ে গেলেন। সে জন্য ওনারা আচরণও করতে পারলেন না। ওনারা নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে পারলেন না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ওনারা কি নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনটাও করতে পারবেন কি না- অন্তর্বর্তী সরকারকে ইঙ্গিত করে এসব কথা বলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘আগামী সরকারের জন্য নির্বাচিত নীতি সুপারিশ ও প্রস্তাবিত জাতীয় কর্মসূচি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এর আয়োজন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যেই সংস্কারের কথা বলেছিল, সেই সংস্কারকে কার্যকর করার ক্ষেত্রে যে সক্ষমতা, অংশীজনের অংশগ্রহণ , উন্মুক্ততা দরকার, সেটি তারা দেখাতে পারেনি।

সংলাপের ক্ষেত্রে সরকার শুধু রাজনীতিবিদদের গুরুত্ব দিয়েছে, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, একটা জাতীয় উত্থান, জাতীয় জাগরণ, জাতীয় অংশগ্রহণের ভেতরে অংশীজনদের নিয়ে নতুন বন্দোবস্তের চিন্তাকে সামনে উপস্থাপন করা হয়নি।

তিনি বলেন, এর দুটো ফলাফল হলো। যারা নতুন বন্দোবস্তের কারিগর হতে চেয়েছিলেন, তারা পুরোনো বন্দোবস্তের অংশ হয়ে গেলেন। তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ভেতরে ঢুকে গেলেন এবং ব্যয়বহুল নির্বাচনের অংশ হয়ে গেলেন। বড়জোর তারা ক্রাউড ফান্ডিং করে টাকা তুললেন, কিন্তু টাকার খরচ কমানোর ক্ষেত্রে কিন্তু আর পারলেন না।

সমস্যার দ্বিতীয় ফলাফল হিসেবে কায়েমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, যারা পুরোনো বন্দোবস্তের ধারক ও বাহক ছিল, তাদের উত্থান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলেন, রাজনীতিবিদেরা আত্মগোপন করলেন, আর আমলারা ফিরে এলেন। কারণ, এই পুরোনো বন্দোবস্তের সবচেয়ে বড় রক্ষক হলো আমলাতন্ত্র। ওই আমলাতন্ত্র তখন আবার ফিরে এল। আর আমলাতন্ত্রকে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় সুযোগ করে দিল বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে আগামী সরকারের জন্য ১২টি নীতি বিবৃতি ও প্রস্তাবিত জাতীয় কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয়। নীতি সুপারিশগুলো তুলে ধরেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং জাতীয় কর্মসূচি উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান। এতে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য আসিফ ইব্রাহিম, রাশেদা কে চৌধূরী, মুশতাক রাজা চৌধুরী, শাহীন আনাম, সুলতানা কামাল প্রমুখ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech