পঞ্চগড়ে টানা ৩ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ঘরে

  • ১২:৩৪ পিএম, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। টানা তিন দিন ধরে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে অবস্থান করছে।

সোমবার ৮ ডিসেম্বর সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত এক সপ্তাহে জেলার তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করেছে। রোববার ও শনিবার ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শুক্রবার ১২ ডিগ্রি, বৃহস্পতিবার ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি, বুধবার ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি এবং মঙ্গলবার ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শীত বাড়তে থাকায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর এবং নদীর বালুশ্রমিকেরা। ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকা। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। বাইরে বের হতে বাধ্য হওয়া মানুষজন ভারী কাপড়েও ঠিকভাবে ঠান্ডা ঠেকাতে পারছেন না।

শীত বাড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও কয়েকগুণ বেড়েছে। অনেকেই ঠান্ডা থেকে বাঁচতে বাড়িঘর ও রাস্তার মোড়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

এছাড়া শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। সর্দি-কাশি, জ্বর, অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি হাসপাতালে ভিড় করছেন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত তিন দিন ধরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি ঘরেই অবস্থান করছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায় সামনের দিনগুলোতে শৈত্যপ্রবাহ আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সাইমুজ্জামান জানান, শীতপ্রবাহ মোকাবিলায় সরকারিভাবে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলছে, পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থারাও সহায়তা দিচ্ছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech