।।বিকে রিপোর্ট।।
দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গত কয়েক দিন ধরে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে তাপমাত্রা। জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় আজও তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রিতে রয়েছে। ফলে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।
রবিবার ৩০ নভেম্বর সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ শতাংশে।
সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায়।
গতকাল শনিবার একই সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরও আগের কয়েকদিনে তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ থেকে ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রির মধ্যে। ফলে দিনের বেলায় রোদ থাকলেও ভোর ও সকালে শীতের তীব্রতা স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
ভোরে হালকা কুয়াশা থাকলেও ঘন কুয়াশার দেখা মেলেনি। এরপর সকাল গড়াতেই আকাশে ঝলমলে রোদ দেখা যায়, তবে শীতের দাপট তাতে কমেনি। স্থানীয়রা জানান, এ অঞ্চলে এখন সন্ধ্যা ও রাতেই বেশি ঠান্ডা লাগছে। ভোরে সূর্য উঠে যাওয়ায় রোদে কমতে থাকে শীতের মাত্রা। সকালের মিষ্টি রোদে আগের যে কনকনে শীতের অনুভূতিটা ছিল, তা কমেছে।
সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকছে। এরপরে হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করে। এ হিমেল হাওয়ায় সন্ধ্যা থেকে ঠান্ডা লাগে।
এদিকে কয়েক দিন ধরে টানা ঠান্ডার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধারা। প্রায়ই সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, পঞ্চগড়ে শীত ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে। হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় এ উপজেলাটির অবস্থান হওয়ায় এখানে অন্যান্য এলাকা থেকে শীত আগে নামে। এ সময়টাতে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ডিসেম্বরে তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে। শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।