শিরোনাম :
নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা থেকে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ সৌদির তিন স্থাপনা থেকে সবাইকে সরে যেতে বলল হুথিরা হামের উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৯ হাজারের বেশি যাত্রী জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসায় হামলা রিয়াদে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা, প্রতিহতের দাবী সৌদি আরবের সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের অবরুদ্ধ নবনিযুক্ত ভিসি: ২১ ঘণ্টা পরেও নিজ কার্যালয় থেকে বের হতে পারেননি ৯ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এলো চকবাজারের আগুন, শতকোটি টাকা ক্ষতির দাবি মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীনের সঙ্গে ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি

ইরান নয়, সৌদির আরামকোতে হামলা চালায় ইসরাইল

  • ১০:৪৭ এএম, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

সৌদি আরবের রিয়াদের আরামকোতে হামলা ছিল একটি ইসরাইলি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে চালানো গোপন অপারেশন। এর লক্ষ্য হলো ইরানে আক্রমণের অপরাধ থেকে আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিভ্রান্ত করা বা মনোযোগ অন্যদিকে সরানো। 

তাসনিম নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের একটি সামরিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। 

ওয়াকিবহাল সূত্রটি আরও বলেছে, ‘ইরান স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে যে তারা এই অঞ্চলে সমস্ত আমেরিকান এবং ইসরাইলি সম্পদ, স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং এখন পর্যন্ত তাদের অনেকগুলোতে আক্রমণ করেছে, তবে আরামকো স্থাপনাগুলো এখনও পর্যন্ত ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে ছিল না।’

সূত্রটি আরও জোর দিয়ে বলেছে, ‘গোয়েন্দা সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরও ইসরাইলের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তুগুলির মধ্যে একটি এবং এই শাসকগোষ্ঠী এটি আক্রমণ করার ইচ্ছা পোষণ করে।’

এর আগে খবরে বলা হয়, ইরানের ড্রোন সৌদি আরবের আরামকোর তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। এই হামলার পর সৌদি আরামকো রাস তানুরা রিফাইনারির কার্যক্রম বন্ধ করে। সোমবার (২ মার্চ) এই হামলা হয় বলে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়।

এতে বলা হয়, হামলার পর স্থাপনায় আগুন লাগে। তবে আগুন সীমিত ছিল। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রাস তানুরা সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল শোধনাগার। জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা মিথ্যা পতাকা কৌশল হলো এমন এক ধরণের গোপন অভিযান, যা প্রকৃত দায়িত্বরত পক্ষ বা সরকার না করে অন্য কোনো পক্ষ (সাধারণত শত্রু) করেছে বলে প্রচার বা দোষারোপ করা হয়  এর উদ্দেশ্য হলো—অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করা, সামরিক পদক্ষেপের অজুহাত তৈরি করা বা জনমতকে বিভ্রান্ত করা। এই ধরনের অভিযানের ফলে প্রকৃত হামলাকারী আড়ালে থেকে যায়। 

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech