।। বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ হিসেবে রক্ষা করবে এবং এ বিষয়ে কোনও আপস করবে না।
বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বক্তব্যে খামেনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘোষণা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ হয়েছে উল্লেখ করে মোজতবা খামেনি বলেন, দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা ৯ কোটি গর্বিত ইরানি নাগরিক আমাদের পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবসম্পদ, বৈজ্ঞানিক, শিল্প ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে- ন্যানোপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পর্যন্ত- জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। এবং তারা এগুলোকে দেশের পানি, ভূমি ও আকাশসীমার মতোই রক্ষা করবে।
পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই একই বক্তব্যে খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি নিয়ে কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান নেই। তাদের ‘একমাত্র স্থান হলো পানির তলদেশে’।
তিনি বলেন, আল্লাহর সাহায্যে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যৎ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্থান থাকবে না; বরং এটি হবে এ অঞ্চলের জনগণের উন্নয়ন, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য।
মোজতবা খামেনি বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরসংলগ্ন দেশগুলোর মধ্যে একটি ‘অভিন্ন ভাগ্য’ বা সামষ্টিক ভবিষ্যত রয়েছে। হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে আসা বিদেশিরা এখানে লোভ ও বিদ্বেষ নিয়ে আসে- এখানে তাদের কোনও স্থান নেই, যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মোজতবা খামেনিার বাবা তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এভাবেই বিবৃতি দিয়ে আসছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মোজতবা খামেনিার বাবা তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এভাবেই বিবৃতি দিয়ে আসছেন।