।।বিকে রিপোর্ট।।
হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরব থেকে হাজিরা দেশে আসতে শুরু করেছেন। ফিরতি ফ্লাইটের প্রথম দিন ৬১৭৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। শনিবার ৩০ মে ১৫টি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেন।
রবিবার ৩১ মে রাত ৩টা পর্যন্ত ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। একই সময়ে সৌদি আরবে ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বুলেটিনে জানানো হয়, ৩০ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে ফেরা ৬ হাজার ১৭৫ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৭৫৯ জন রয়েছেন।
হজ বুলেটিনের তথ্যানুযায়ী, ফিরতি মোট ১৫টি ফ্লাইটে ৬১৭৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে এসেছেন ৪১৬ জন হাজি। বেসরকারি মাধ্যমে আসা হাজির সংখ্যা ৫৭৫৯ জন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের দৈনিক বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ হাজার ১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১ হাজার ৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৩ হাজার ৩০০ জন হাজি পরিবহন করেছে।
মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
ফিরে আসা হাজিরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তারা বলেন, এ বছর হজ পালনে কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি। সকল ব্যবস্থাই ভালো ছিল।
অন্যদিকে এবার পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭ বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন বলে জানা গেছে। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা, হৃদরোগ ও হঠাৎ তৈরি হওয়া বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।।
এর মধ্যে ২৪ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী। মৃত্যুর ঘটনাগুলো মক্কায় ২৭ জন এবং মদিনায় ১০ জনের।
হজ বুলেটিনে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭৬ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বর্তমানে ২৬ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজের প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। ফিরতি ফ্লাইট চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।