।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রুসহ একটি ফেরি ডুবে গেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু এবং ২৮ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।
সোমবার ২৬ জানুয়ারী স্থানীয় সময় ভোরবেলায় দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এছাড়া জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১৩৮ জনকে উদ্ধার করেছেন কোস্টগার্ড বাহিনীর ডুবুরিরা। বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ড বাহিনীর বাসিলান শাখার বরাতে জানা গেছে এসব তথ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার দিবাগত মধ্যরাতের পর জাম্বোয়াঙ্গা থেকে দক্ষিণ সুলুর জোলে দ্বীপের দিকে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফিলিপিন্সের কোস্টগার্ড (পিসিজি) জানিয়েছে, জাম্বোয়াঙ্গা ছেড়ে যাওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর বিপদ সংকেত জারি করে ফেরিটি। এসময় ফেরিতে ৩৩২ জন যাত্রী ও ২৭ জন ক্রু ছিলেন।
পিসিজি জানিয়েছে, বাসিলান প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় এক নটিক্যাল মাইল (প্রায় ২ কিলোমিটার) ফেরিটি ডুবে যায়। এসময় আবহাওয়া ভালো ছিল। প্রাথমিকভাবে বেঁচে যাওয়া অনেককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী বালুক-বালুক দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আহতদের রাজধানীর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দক্ষিণ মিন্দানাও জেলার কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যু তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখন ২৮ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, ফেরি ডুবে যাওয়ার কারণ এখনো জানা না গেলেও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ফেরি ছাড়ার সময় কোস্টগার্ডের ছাড়পত্র পেয়েছিল এবং এতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ নেওয়া হয়নি।
ঘন ঘন ঝড়, ফিটনেসবিহীন জাহাজ ও অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার কারণে প্রায়ই ফেরিডুবির ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে। শুক্রবার চীন যাওয়ার পথে একটি ফেরি ডুবে ২ ফিলিপিনো নাবিক মারা যান। এ ঘটনায় চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তারও আগে গত সোমবার একটি জাহাজ ডুবে অন্তত ৬ জন নিহত ও ৯ জন নিখোঁজ হন।