।।বিকে রিপোর্ট।।
ঢাকা- নোয়াখালী রুটে বরাদ্দকৃত নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ দ্রুত চালুর দাবিতে দেড়ঘণ্টা রেলপথ অবরোধ অবরোধ করেছে এলাকাবাসী।
রবিবার ৪ মে ভোর ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত মাইজদী রেলস্টেশনে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে রেললাইনে অবস্থান নেয় স্থানীয় জনতা।
এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে। আটকে পড়ে ঢাকাগামী আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন।
অবরোধকারীরা জানান, ২০২৩ সালে নোয়াখালী-ঢাকা রুটে ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ নামে নতুন একটি আন্তঃনগর ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া হলেও এখনো তা চালু হয়নি। এই রুটের যাত্রীরা প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
এর ফলে বাস সিন্ডিকেট নানাভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার আরও সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও রোগীদের জন্য নির্ভরযোগ্য ট্রেন সার্ভিস অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
অবরোধে অংশ নেওয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোয়াখালী জেলার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ২০২৩ সালে নোয়াখালী-ঢাকা রুটে ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’ নামে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া হলেও এখনও তা চালু হয়নি। এই রুটের যাত্রীরা প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
ফলে বাস সিন্ডিকেট নানাভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও রোগীদের জন্য নির্ভরযোগ্য ট্রেন সার্ভিস অত্যন্ত জরুরি। তাই বাধ্য হয়েই আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নেমেছি। ১০ দিনের মধ্যে কোনো আশ্বাস না পেলে আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে।
এসময় আটকা পড়া উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী আবদুর রহিম বলেন, আমরা সাময়িক কষ্ট পেলেও তাদের দাবির সাথে আমরা একমত। নোয়াখালীতে বাস মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে নতুন বরাদ্দ হওয়া ট্রেনটি চালুই করতে পারেনি। আমরা দ্রুত সুবর্ণচর এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু করার দাবি জানাই।
উপকূল ট্রেনটি অবরুদ্ধ রাখায় সাময়িক ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে অবরোধ তুলে নিলে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় ট্রেনটি।
এদিকে মাইজদী কোর্ট স্টেশনের দায়িত্বে থাকা স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হয়েছে। তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দেড় ঘণ্টা পর অবরোধকারীরা অবরোধ ছেড়ে দিলে সকাল সাড়ে সাতটায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।