বিদেশে নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন: শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে লন্ডন যাত্রা

ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
বিএনপির চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এখন মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ এবং বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাত্রা- বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শনিবার ৬ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, তার শারীরিক অবস্থার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে মেডিকেল বোর্ড এবং বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত তখনই নেওয়া হবে যখন চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করবেন যে তাকে নিরাপদে স্থানান্তর করা যাবে। দেশনেত্রীর চিকিৎসায় কোনো কমতি রাখা হবে না।

তিনি বলেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত আছে। তবে শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এছাড়া মেডিক্যাল বোর্ড এবং সিনিয়র চিকিৎসকরা নজর রাখছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতার সরকার এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা কথা ছিল। কিন্তু তাদের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কারিগারি ত্রুটি থাকায় সেটি আসেনি।

তবে সেই অ্যাম্বুলেন্স আসলেও তখন খালেদা জিয়া ফ্লাই করার অবস্থায় ছিলেন না বলে মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছিল। এখনও পর্যন্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে বেগম জিয়াকে বিদেশে কবে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। যখনই মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত দিবে তাকে নেওয়া যাবে তখনই আমরা তাকে বিদেশে নিয়ে যাবো।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য জানান, চিকিৎসায় সর্বোচ্চ প্রাধান্য ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিকভাবে বহু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োজিত আছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্ত রয়েছেন লন্ডনের জন পেট্রিক কেনেডি, জেনিফার ক্রস, প্রফেসর গোলস্টন, প্রফেসর ডক্টর রিচার্ড, শাকিল ফরিদ ও প্রফেসর গার্বি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রফেসর হাবিবুর রহমান লুলু, প্রফেসর ডক্টর জন হ্যাবিল্টন, প্রফেসর ডক্টর হামিদরাও, প্রফেসর ডক্টর রফিকউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডক্টর জর্জিস।

তিনি জানান, কাতার সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। তবে দেশের বাইরে নেওয়ার আগে চিকিৎসকরা শারীরিকভাবে নিরাপদ স্থানান্তর নিশ্চিত করবে, কারণ ১২-১৪ ঘণ্টার এয়ারফ্লাইটের সময় অসুস্থ ব্যক্তির জন্য উচ্চ উচ্চতার প্রভাব সবসময় সহ্য করা সম্ভব নয়।

এছাড়া খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব না ছড়ানোর পাশাপাশি গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

ডা. জাহিদ বলেন, ‘আল্লাহর রহমত ও সকলের দোয়ায় বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হবেন ইনশাল্লাহ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech