।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সামরিক হামলা স্থগিত করার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৭ ডলার বা প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৯৬ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দামও ১৩ ডলার বা প্রায় ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ কমে সেশন লো ৮৫ দশমিক ২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার ২৩ মার্চ আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ক্রমাগত জাহাজ হামলার ফলে বৈশ্বিক তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে বলেছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস করে দেবেন’।
অন্যদিকে, ইরান বলেছে, এ ধরনের যেকোনো হামলার জবাবে তারা এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির চেয়ারম্যান ও প্রধান বিশ্লেষক সাইমন ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, হুমকিগুলো কার্যকর করা হয় কী-না, তার দিকে তাকিয়ে আছে বাজার ব্যবস্থা।
বিবিসির টুডে অনুষ্ঠানে মি. সাইমন বলছিলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবকাঠামোতে হামলা করে, তবে তা যুদ্ধের তীব্রতাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেবে। তখন আমাদের দেখতে হবে যে ইরানও গত সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে যেমনটা করে আসছে, তেমনভাবে পাল্টা অবকাঠামোগত হামলা চালায় কী-না।
ইরানের পাল্টা হুমকির পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তারা সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে-এ এক পোষ্টে হামলা না করার ইংগিত দিলে জ্বালানী বাজারে তেলে দাম নিম্নমূখী হয়।