Breaking News:


শিরোনাম :
ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে এক দফা দাবিতে আজও ঢাকার তিন স্থানে অবরোধ কর্মসূচি বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র মোংলা বন্দরের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় শ্রমিকদের মজুরি ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও ফোন নম্বর সংগ্রহ বেআইনি: নজরুল ইসলাম খান ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন নয়, বিদ্যমান আইনে দেশ চলবে – জামায়াত আমির ইরানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিবাদকারী এরফান সুলতানির ফাঁসি স্থগিত করলো সরকার আইপিও বিধিমালায় বড় পরিবর্তন : আবার লটারিতে শেয়ার বরাদ্দ নতুন করে দেশটাকে গড়ে তুলতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে- আলী রীয়াজ আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে: আজ ঢাকার সর্বনিম্ম তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি

মোংলা বন্দরের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় শ্রমিকদের মজুরি ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি

  • আপলোড টাইম : ১১:৪১ এএম, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ Time View
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
মোংলা বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মোংলা বন্দরে কর্মরত শ্রমিকরা তাদের সংগঠন শ্রমিক কর্মচারী সংঘ (রেজি. নং খুলনা-২১৪৩)-এর মাধ্যমে কর্মঘণ্টা, মজুরি বৃদ্ধি, ভাতা, শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের সুবিধা, বীমা ও চিকিৎসা সুবিধাসহ মোট ১৮টি যৌক্তিক দাবি উপস্থাপন করেন।

এই দাবিসমূহ নিয়ে মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (মালিক পক্ষ) এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমানের সভাপতিত্বে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকগুলোতে দাবিগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয় এবং গঠনমূলক সংলাপ ও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর নিষ্পত্তিতে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।

সভায় উত্থাপিত ১৮ দফা দাবি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে সকল দাবি নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি। এ প্রেক্ষিতে মালিক পক্ষ বিদ্যমান প্রথানুসারে দৈনিক স্বাভাবিক আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টার মজুরির ওপর ২৬ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এছাড়া শ্রমিকদের কর্মস্থলে যাতায়াত সংক্রান্ত বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বসবাসরত শ্রমিকদের কিয়ারা লঞ্চঘাট থেকে ডিউটি শুরুর পূর্বে যাত্রা শুরু এবং ডিউটি শেষে নিরাপদে বাসস্থানে পৌঁছানো পর্যন্ত সময়কে কর্মঘণ্টার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে। একই সঙ্গে ডিউটি শেষে শ্রমিকদের দ্রুত ও নিরাপদে কিয়ারা লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব মালিক পক্ষ গ্রহণ করবে।

অবশিষ্ট অন্যান্য ১৬টি দাবি পারস্পরিক সমঝোতা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে নিষ্পত্তি করা হয়।

সভায় মালিক পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সেক্রেটারি মো. জুলফিকার আলী।

শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. আলাউদ্দিন, আলী হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় অংশগ্রহণ করেন। সূত্র-বাসস।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech