।।বিকে রিপোর্ট।।
আর মাত্র একদিন পরেই উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। পুরোদমে জমে উঠতে শুরু করেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। বেচাকেনাও শুরু হয়েছে পুরো দমে।
বৃহস্পতিবার ৫ মে সকাল থেকেই ক্রেতার সমাগম দেখা যায় রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে। পশুর আমদানীও ছিল প্রচুর।
আর এরই মধ্যে কোরবানির পশুর হাট বেশ জমে উঠেছে। পছন্দের পশু কেনার জন্য হাটে ছুটে যাচ্ছেন ক্রেতারা। মেঘলা দিলে বৃষ্টির মাঝেও ক্রেতা সমাগম বাড়তে থাকায় বিক্রেতারা খোশ মেজাজে আছেন। আর কোরবানির পশুর দাম নিয়ে এবার অনেকটা সন্তুষ্ট ক্রেতারাও।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার গরুর দাম গত বছরের তুলনায় কম। বিক্রেতাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবার লাখে ২০-৩০ হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে গরু। এদিকে ক্রেতারাও জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় এবার গরু কিছুটা কমে কেনা সম্ভব হচ্ছে তাদের।
দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে ছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন বড় গরুর দাম কমেছে, কেউবা বলছেন দাম গতবারের থেকে বেশি।
তবে অন্যান্য বছরের মতো এবারও কোরবানির পশুর হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। পাইকারদের আশা, আগামীকাল সকাল থেকে ক্রেতার সংখ্যা আরও বাড়বে।
প্রতিবারেরমতো এবারও হাটে গরুর পাশাপাশি মিলছে বিভিন্ন জাতের খাসি, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। কোথাও কোথাও উট-দুম্বারও দেখা মিলছে। তবে, ভাটা পড়েছে বড় গরুর ব্যবসায়। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার চাহিদা অনেক কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বড় গরুর ব্যবসায়ীরা।
ব্যাপারী ও খামারিরা জানিয়েছেন, হাটে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরু দরদাম হলেও বিক্রি হচ্ছে কম। ফলে এসব গরুর বেশিরভাগই ফেরত নিয়ে যেতে হবে হয়তো। উল্লেখ্য, এবার রাজধানীর ২১টি স্থানে পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে মেরুল বাড্ডায় বসা অস্থায়ী পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়। সকাল ১০টার আগেই গরু কিনতে ভিড় লেগে গেছে ওই হাটে। অন্যিদিকে গাবতলী গরুর হাট ও দিয়াবাড়ী গুরর হাটেও জমজমাট ভির দেখা গেছে।