।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
তিনদিনের চীন সফর শেষ করে নিজ দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার ১৫ মে দুপুরের পর বিমানবাহিনীর এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে ওঠেন তিনি। এ সময় তার সম্মানে বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য, তিনদিন আগে বেইজিংয়ে আসেন ট্রাম্প। এরপর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে টানা দুদিন বৈঠক করেন তিনি। এ সময় তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
ট্রাম্পের দাবি, এ বৈঠক থেকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে চীনের সহায়তার প্রস্তাবও পাওয়া গেছে।
তাদের আলোচনায় বাণিজ্যের পাশাপাশি ইরান ও তাইওয়ান ইস্যু ওঠে আসে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি পৌঁছাতে চীনের সহযোগিতা চায়। অপরদিকে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে জানায়, তাইওয়ানকে তারা একীভূত করবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি এতে বাধা দেয়, তাহলে তাদের সঙ্গে সংঘাত বাড়বে।
অপরদিকে বাণিজ্যের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো চীন যক্তরাষ্ট্রের থেকে বোয়িংয়ের ২০০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
কৃষি, বিমান চলাচল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন খাতে চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ট্রাম্প বেইজিং সফরে যান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প শি’কে ‘মহান নেতা’ ও ‘বন্ধু’ বলে উল্লেখ করলেও চীনা প্রেসিডেন্ট তুলনামূলক সংযত অবস্থান নিয়েছেন। তবে ট্রাম্প বলেছেন, সফর থেকে ‘অনেক ভালো কিছু’ এসেছে।
বেইজিং থেকে এএফপি জানায়, নিষিদ্ধ নগরীর পাশে অবস্থিত চীনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কম্পাউন্ড ঝোংনানহাইয়ের বাগানে শি’র সঙ্গে হাঁটার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা কিছু চমৎকার বাণিজ্য চুক্তি করেছি, যা দুই দেশের জন্যই দারুণ।’
এছাড়া ট্রাম্প তিনদিনের এ সফরে চীনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনাও ঘুরে দেখেছেন।
সূত্র: সিএনএন