।। বিকে ডেস্ক ।।
রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত সোহেল ফকিরের মরদেহ নিজ গ্রাম বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চানপুরা ইউনিয়নের চরখাককাটা এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে একই ঘটনায় তার বাবা মিরাজ ফকির এখনো বুড়িগঙ্গা নদীতে নিখোঁজ রয়েছেন। এদিকে সোহেলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রেশমা আক্তার গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ দুপুরে জোহরের নামাজের পর স্থানীয় নুর মোহাম্মদ মৃধাবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সোহেল ফকিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাড়ি ফেরার পথে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উৎসবের আমেজের বদলে এলাকায় বিরাজ করছে নীরবতা ও শোক।
উল্লেখ্য বুধবার ১৮ মার্চ বিকেলে সদরঘাটের ১৪ নম্বর পন্টুনের কাছে ঢাকা–ইলিশা (ভোলা) রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ নামে একটি লঞ্চ ট্রলার থেকে যাত্রী তুলছিল। এ সময় লঞ্চটিকে ঢাকা-দেউলা-ঘোষেরহাট রুটের ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ নামে একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয়। এমভি জাকির সম্রাট–৩ লঞ্চের পেছনের একটি কোণের আঘাতে ‘আসা যাওয়া–৫’ লঞ্চের যাত্রী সোহেল পিষ্ট হন। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে কোতোয়ালি থানার পুলিশ নিশ্চিত করেন।