শিরোনাম :
পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পরিকল্পনা দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের ভারতে বসে দেশে ফেরার ছক কষছেন আ’ লীগ নেতারা ঐতিহাসিক বিজয়ে তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা ভোট বয়কটের কোনো পরিকল্পনা নেই ১১ দলীয় জোটের: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি: যমুনার সামনে বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি ছোঁড়েনি জাবেরের ওপর হামলা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক : তাসনিম জারা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে, বললেন ট্রাম্প প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং: ৮.০২ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য অর্ডার পেল বাংলাদেশ

সম্পাদকের কলাম :প্রসঙ্গ-৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বচান ও গোপন তথ্য ফাঁস

গোপন তথ্য ফাঁস
কেউ ভোলেনা কেউ ভোলে
অতীত দিনের স্মৃতি
মো: মাহবুবুল বাসেত ।।
১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম জিয়া ও তাঁর দল বিএনপি অংশগ্রহন করলে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ও তাঁর দল কোনদিন ক্ষমতায় আসতো কিনা আমি আজো সন্দিহান ।ঢাকার একটি শীর্ষ জাতীয় দৈনিকের আমি তখন সিনিয়র রিপোর্টার ও সংসদ রিপোর্টার-পেশাগত কারনে খোঁজ-খবর রাখি গোপনে ও প্রকাশ্যে তিনজনের রাজনৈতিক কার্যত্রুম–শেখ হাসিনা, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বেগম খালেদা জিয়া।
১৫ আগষ্টের ঘটনার পর প্রায় বিলুপ্ত আওয়ামীলীগ মালেক উকিলের নেতৃত্বে ৭৯ সালের সংসদে আসন পায় ৩৯টি । জিয়ার শাসনের শেষদিকে দেশে এসে হাল ধরেই দল গুছাতে থাকেন চতুর প্রকৃতির শেখ হাসিনা ।তিনি বুঝতে পারেন নির্বাচন ছাড়া দল চাঙ্গা করা যাবেনা এবং আর কোন কর্মসুচীও নেই চাঙা করার ।তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন ৮৬-র সংসদ নির্বচনে যাবেন এবং তার মনোভাব শুধু জানালেনই না রাজীও করালেন জামায়াতের নেতাদেরকে।দায়িত্ব দেয়া হল মুজাহিদকে বেগম জিয়ার সাথে কথা বলে জানাতে ।শেখ হাসিনা নির্বাচনের জন্যে উদগ্রীব, জামায়াতও রাজী । বাকী শুধু খালেদা জিয়া আর তাঁর বিএনপি । মুজাহিদ ছুটলেন বেগম জিয়ার কাছে-দীর্ঘক্ষন আলোচনা হল । মেডাম মুজাহিদকে বললেন–আপনারা নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষনা দিয়ে দেন -আমি পরের দিন দেব ।আগের দ্ধিপাক্ষিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিলেন্। এরপর জামায়াতও দিল-কিন্তু দিলেন না শুধু বেগম জিয়া। টের পেয়ে অতি চতুর এরশাদ খেললেন। কে-বা কারা কাকে আশ্বাস দিল-নির্বাচন হবে না, আমরা সহসা নাজিল হব জাতির খেদমত করার জন্যে (অপ্রকাশিত তথ্য )। সে দিন বেগম জিয়া জামায়াতকে সাথে নিয়ে নির্বাচনে গেলে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে এত ক্ষয়-ক্ষতি হত না – শেখ হাসিনাও আর কোনদিন এই দেশে ক্ষমতায় আসতেন কিনা আমি আজো সন্দিহান। অত্যন্ত কৌশলী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর প্রথম নির্বাচনেই দলতো গুছালেন ও চাঙা করলেনই সংসদেও আসন পেলেন ৮৬টি ( স্মৃতি থেকে )। ৯১ সালে বেগম জিয়া জামায়াতের নি:শর্ত সমর্থনের কারনেই প্রথম প্রধান মন্ত্রী । আর আমার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনা বার বার হোচট খেয়েছেন-কিন্তু রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হননি এখনো একবারও। তাঁর স্বভাব বলে–তিনি কখনো মচকাবেন না, হয়তো ভেঙ্গে যেতে পারেন ।
(মন্তব্য : কোন পুরুষ শাসক না আসলে বাংলার মাটিতে কর্মক্ষম থাকা অবস্হায় এই দুই জনের কি আর কোনদিন এক হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে ?–হাহাহা )
বন্ধুরা-সাথে দুটি গানও থাকলো:
(ক)কেউ ভোলেনা কেউ ভোলে..
.https://www.youtube.com/watch?v=OEyx1Fi4e8E
(খ) a-পুরনো সেই দিনের কথা সে কি ভোলা যায় ?
https://www.youtube.com/watch?v=KkM8TOHD-FY
b-https://www.youtube.com/watch?v=G16J7S-nwi4 

* :*লেকাটি পুনরায় প্রকাশিত

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech