।। বিকে ডেস্ক ।।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লেও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এখনো বড় কোনো যানজটের দেখা মেলেনি।
বুধবার ১৭ মার্চ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
ঈদের আগে ১৬ মার্চ ছিল শেষ কর্মদিবস। বিকেলের পর থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে যমুনা সেতু ও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে। সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যাও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ১৬ মার্চ সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। এর আগের দিন রবিবার ১৫ মার্চ পারাপার হয়েছিল ২৫ হাজার ৪৪০টি যানবাহন। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ১০ হাজার ২১৮টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও দ্রুত টোল আদায় ও ব্যবস্থাপনার কারণে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে। ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দ্রুত সরাতে অতিরিক্ত রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজও এবার স্বস্তি দিচ্ছে। চার লেন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১৩টি আন্ডারপাস চালু করা হয়েছে, যা স্থানীয় যানবাহনের চাপ কমাতে সহায়তা করছে। হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় কাজ চলমান থাকলেও যান চলাচলে বড় কোনো বিঘ্ন দেখা যায়নি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই মহাসড়ক ও যমুনা সেতু। বিকল্প সড়ক না থাকায় প্রতি ঈদেই এখানে চাপ বাড়ে। তবে এবার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে এখন পর্যন্ত স্বস্তির ঈদযাত্রার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেতুর দুই প্রান্তে স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ, নেই যানজট