শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা পৌঁছাতে কাতারের পথে স্পিকার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরুদ্ধ: অচল ধানমন্ডি–নিউমার্কেট, তীব্র যানজট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জে বন্যাকবলিত দুর্গম এলাকার মানুষের পাশে বিজিবি মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতির তদন্ত হবে : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোটের প্রভিশন না থাকলে ২৬’র নির্বাচন হওয়ারও সুযোগ নেই- ওয়াকআউটের পর বিরোধী দলের নেতা ইয়েমেনের সব বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা: সৌদির বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের পাল্টা হামলা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় মসৃণ উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট ১৯ অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত

  • ০৯:৪৫ পিএম, শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে রিপোর্ট।।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১৩৯ জনকে পরীক্ষা করে ৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ জন।

শনিবার ১৪ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। এর ফলে এ সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত্যুর হয়েছে ২৯ হাজার ৫০২ জনের।

মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ০৪ শতাংশ।

গত মে মাস থেকে করোনার প্রকোপ বাড়ছে। এর মধ্যে করোনার একটি নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও প্রচুর সংক্রমণে সক্ষম করোনার নতুন একটি ধরন বা ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে। এর নাম হলো এনবি.১.৮.১।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার করোনায় একজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে দেশে সাড়ে ২৯ হাজার করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গত ২৩ মে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হচ্ছে, নতুন ধরনটি এখন ক্রমেই ছড়াচ্ছে। এর সংক্রমণের হারও বেশি। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ সম্প্রতি করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় সবাই নতুন একটি ধরন এক্সএফজিতে আক্রান্ত। এর পাশাপাশি এক্সএফসি ধরনটিও পাওয়া গেছে। দুটিই করোনার শক্তিশালী ধরন অমিক্রনের জেএন-১ ভেরিয়েন্টের উপধরন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা দেয় সরকার। করোনায় প্রথম মৃত্যুর কথা জানা যায় ওই বছরের ১৮ মার্চ। এর তিন বছর পর ২০২৩ সালের মে মাসে করোনার কারণে জারি করা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech