Breaking News:


ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করলো ১২টি প্রতিষ্ঠান

  • ০৬:১৯ পিএম, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
ছবি: প্রতিকী

।।বিকে রিপোর্ট।।
দেশি ও বিদেশি মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন জমা দিয়েছে।

গত রবিবার ২ নভেম্বর ছিল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গতকাল সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের আবেদন আহ্বান করে বাংলাদেশ। আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে আবেদনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত প্রস্তাবনা তৈরি ও প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদন গ্রহণের সময়সীমা বাড়িয়ে গত ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।

আরিফ হোসেন খান জানান আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক (প্রস্তাবিত), অ্যাপ ব্যাংক ফার্মার্স, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক (বাংলালিংক ও স্কয়ার যৌথ উদ্যোগ), মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

আবেদনকারীদের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্টে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র : জমা দিতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা করে। ডিজিটাল ব্যাংক হবে ইন্টারনেট ও অ্যাপ-নির্ভর সেবা। সেবা নিতে হবে প্রযুক্তির মাধ্যমে। ব্যাংকের স্থাপনা বা শাখায় গিয়ে কোনো সেবা নেওয়া যাবে না।

প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক খাতে বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ১২৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা। এটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শুধু প্রধান কার্যালয় থাকবে। তবে সেবা প্রদানের জন্য কোনো কার্যালয় থাকবে না। অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বা বুথ বসিয়ে সেবা দেবে না।

ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই দেওয়া হবে অ্যাপস, মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে।

তথ্যমতে, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী এবং পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশন অনুসারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ৫২টি আবেদন থেকে দুই প্রতিষ্ঠান নগদ ও কড়িকে ডিজিটাল ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রদান করে। নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের স্পন্সর ছিল নগদ এমএফএস-এর বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী, আর কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক স্পন্সর করেছিল এসিআই গ্রুপ। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে দুর্নীতি এবং স্পন্সর সংক্রান্ত সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স স্থগিত করে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech