।।বিকে ডেস্ক।।
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে দ্বিতীয় ড্রোন কারখানা স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং চীনা মালিকানাধীন কোম্পানি অ্যারোসিন্থ লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই কারখানায় ড্রোন উৎপাদন করা হবে এবং এটি হবে দেশের প্রথম ড্রোন উৎপাদন কারখানার পর বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের দ্বিতীয় ড্রোন কারখানা। কোম্পানিটি কারখানায় ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে এবং এতে প্রায় ৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
বুধবার রাজধানীতে বেপজা কমপ্লেক্সে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবির এবং অ্যারোসিন্থ লিমিটেডের অনুমোদিত প্রতিনিধি হু দানদান চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেপজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন।
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের হাই-টেক বিনিয়োগের জন্য বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বেছে নেওয়ায় অ্যারোসিন্থ লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানাই।’
এ সময় তিনি ব্যবসা পরিচালনায় নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চীনা মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। খেলনা ড্রোন, মাছ ধরার ড্রোন ও হালকা পণ্য পরিবহনের ড্রোনসহ বিভিন্ন ধরনের ড্রোন উৎপাদন করবে। বার্ষিক ১ লাখ ৫০ হাজার ইউনিট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ৭০ জন বাংলাদেশির কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রথম ড্রোন প্রকল্পটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। সেখানে কৃষি ক্ষেত্রে কীটনাশক ছিটানো, অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি উদ্ধার, পণ্য পরিবহন, সিনেমাটোগ্রাফি ও ম্যাপিংয়ের জন্য ড্রোন উৎপাদন করা হচ্ছে।
এই দু’টি প্রকল্প উন্নত ও ভবিষ্যৎমুখী শিল্পখাতে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে বেপজার ধারাবাহিকতা তুলে ধরছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ছয়টি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করেছে। চলমান উন্নয়ন কাজের মধ্যেই এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রায় ৪ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং প্রায় ১ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে, যা এই অঞ্চলের শিল্প বৈচিত্র্যকে আরও বিস্তৃত করবে। সংকলিত।