।।বিকে রিপোর্ট।।
বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার ১৫ এপ্রিল নিউইয়র্কভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে।
তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনর শি জিন পিং, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, পোপ লিও চতুর্দশ, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ এবং নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিসহ বিভিন্ন খ্যাতিমান ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন।
‘লিডারস’ (নেতৃত্ব) ক্যাটাগরিতে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তারেক রহমান।
ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল। টাইম ম্যাগাজিন তার প্রোফাইলে লিখেছে, ‘কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক রহমান।
৫৭ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী বিরোধী আন্দোলনের কর্মী থেকে জাতীয় নেতৃত্বের জন্য অপেক্ষমাণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এরপর ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভূমিধস জয় পান তারেক রহমান। এই বিজয়ের অর্থ তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পরেই তার মা মারা যান।
কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন তাকে বিরোধী আন্দোলনের নেতা থেকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে নিয়ে আসে, যা তিনি ফেব্রুয়ারিতে বিপুল নির্বাচনী বিজয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেন।
ম্যাগাজিনটি জানায়, জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে তিনি দেশের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজে নিয়োজিত করবেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি, এসব চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে।
এতে আরও বলা হয়, অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ (যদিও আদালতে খারিজ হয়েছে) তার রাজনৈতিক সময়কালকে সীমিত করতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নির্বাসনের পর তিনি সময় নষ্ট করতে চান না।
তারেক রহমান টাইমকে বলেন, আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে—যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার পায়। সংকলিত।