।।বিকে রিপোর্ট।।
প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
সোমবার ১ জুন বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন বলেন, বিকেল ৪টায় তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইসিস ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে দেন। ওই হাসপাতালেই এতদিন তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের সামনে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে ও শুরুর সময় দলটির নেতাকর্মীরা মসজিদের সামনে জড়ো হতে থাকেন। পরে জানাজা শেষে তারা মিছিল বের করার চেষ্টা করেন এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল করার চেষ্টা করেছেন। এ সময় বেশ কয়েকজনক আটক করেছে ধানমন্ডি থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার সময় এবং মিছিল বের করার সময় আটক করে গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে কয়েকজনকে।
এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে সেখান থেকে একটি মিছিল বের করার চেষ্টা করেছিলেন কিছু নেতাকর্মী। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আরও কারো সংশ্লিষ্টতা পেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
তবে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি এখনও।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার হেলিকপ্টার বা ফ্রিজিং ভ্যানে করে মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে। জোহরের নামাজের পর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।