।।বিকে ডেস্ক।।
রাজধানীর পৃথক তিনটি স্থানে নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। বনানীতে সেতু ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি মহাখালী ও মিরপুর পল্লবীতে দুটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাগুলোর তদন্ত শুরু করেছে।
শনিবার রাত ও রবিবার প্রথম প্রহরে এসব ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ‘সোহাগ পরিবহন’-এর একটি বাসে হঠাৎ আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে দ্রুত তেজগাঁও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা শাহজাহান হোসাইন আগুন নেভানোর বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বাসে ঠিক কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা প্রাথমিকভাবে জানাতে পারেননি।
এর আগে শনিবার ৭ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে মিরপুরে পল্লবী মেট্রোস্টেশনের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ‘বিহঙ্গ পরিবহন’-এর একটি বাসে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এ সময় বাসের চালক ও হেলপার দ্রুত সিটগুলো সরিয়ে নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, মেট্রোস্টেশনের পাশে বাসে আগুনের খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয় এবং বাসটি সেখান থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
একই রাতে (শনিবার) ১০টা ২০ মিনিটের দিকে বনানীর সেতু ভবনের গার্ডরুমের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দের এই বিস্ফোরণে গার্ডরুমের জানালার কাচ ভেঙে যায়। খবর পেয়ে বনানী থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত সংগ্রহ করে। তল্লাশিকালে ঘটনাস্থল থেকে আরও একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়, যা পরে নিষ্ক্রিয় করে পুলিশ।
বনানী থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল জানান, ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নাশকতার এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের আইনি পদক্ষেপ ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সূত্র-বিডি জার্নাল।