Breaking News:


শিরোনাম :
উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া : মধ্যরাতে কিংবা আগামীকাল সকালে রওনা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আরও ৩৬ আসনে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল বিএনপি নির্বাচনকে নতুন মানদণ্ডে নিতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দিল্লিতে পুতিন, স্বাগত জানাতে প্রোটোকল ভেঙে বিমানবন্দরে মোদী! করমর্দনের সঙ্গে হল আলিঙ্গনও তারেকের আমজনতাসহ নিবন্ধন পাচ্ছে আরও ২ দল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও সচিবালয় এলাকায় সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ বন্দর নিয়ে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বাতিলের দাবিতে বাম দলের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাঁধা- ধাক্কাধাক্কি, লাঠিপেটা ঢাকায় ‘তৃতীয় বাংলাদেশ জ্বালানি সম্মেলন ২০২৫’ শুরু হবে ৬ ডিসেম্বর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ: আপিল বিভাগ ফিলিস্তিনের গাজায় গণবিয়ের আয়োজন :মৃত্যু উপত্যকায় জীবনের হাতছানি

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ করা উচিত হয়নি: পল ক্রুগম্যান

  • আপলোড টাইম : ০১:০৬ পিএম, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৫৫ Time View
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
বাংলাদেশের পোশাকে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপ করা উচিত হয়নি বলে মনে করেন নোবেলজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগম্যান। এ ধরনের সিদ্ধান্তে মার্কিন ক্রেতাদের জীবন বিঘ্নিত হবে।

এতে মার্কিন নাগরিকদের জীবন আরও নিরাপদ হবে সেই সম্ভাবনা নেই, বরং মার্কিনদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে।

মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সfম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন ।

আলোচনায় মার্কিন বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ রবার্ট লাইথিজারের কথা বলেন পল ক্রুগম্যান। তিনি বলেন, তার এই বন্ধু ওয়াশিংটনে বাণিজ্য সংরক্ষণবাদী হিসেবেই পরিচিত। বাণিজ্যের জগতে তিনি এক রকম শয়তান হিসেবে পরিচিত, যদিও নিজের কাজটা তিনি খুব ভালো বোঝেন, সে কারণে সব মহলেই তিনি শ্রদ্ধার পাত্র। তিনি স্বাধীনচেতা মানুষ; সে কারণে ট্রাম্প প্রশাসনে তার ঠাঁই হয়নি। হলে তিনি হয়তো বলতেন, বাংলাদেশের পণ্যে শুল্ক আরোপ করা যাবে না। 

জাতীয় নিরাপত্তার কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বন্ধুস্থানীয় ও প্রতিবেশী দেশেও উৎপাদন করা প্রয়োজন, এতে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর ভরসা করা যায়। এই উভয় বিবেচনায় বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কানাডা ও মেক্সিকোর মতো দেশের পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা ঠিক হয়নি বলে মনে করেন তিনি।

বাণিজ্য-ঘাটতি প্রসঙ্গে ক্রুগম্যান বলেন, সব দেশই কিছু না কিছু পণ্য উৎপাদন করে যে পণ্য এক দেশ তৈরি করে না, সেটা তারা আরেক দেশ থেকে আমদানি করে।

এখন কথা হচ্ছে, প্রতিটি দেশের সঙ্গেই যে বাণিজ্য ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে, এর কোনো কথা নেই। সবকিছুই হতে পারে। কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্য–ঘাটতি থাকার অর্থ এই নয়, যে দেশের হাতে উদ্বৃত্ত আছে, সেই দেশ অন্যায্য বাণিজ্যনীতি অনুসরণ করছে। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের মানুষেরা এসব বিশ্বাস করেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech