Breaking News:


শিরোনাম :
রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত শিশু রামিসা: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সকলের বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক শুরু আজ আজ বিক্রি হচ্ছে ৩১ মে’র ফিরতি টিকিট দেশের মানুষ জামায়াতকে ক্ষমতায় আনবে না: মির্জা ফখরুল যুদ্ধবিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা করলে ‘আরও অনেক চমক’ দেখাবে ইরান : আরাগচি বেপজা ইকোনমিক জোনে ১৫ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করবে সানশাইন আউটডোর: লিজ চুক্তি স্বাক্ষর গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় সরকার একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না : তথ্যমন্ত্রী দেশের ১২টি জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ করা উচিত হয়নি: পল ক্রুগম্যান

  • ০১:০৬ পিএম, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
বাংলাদেশের পোশাকে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপ করা উচিত হয়নি বলে মনে করেন নোবেলজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগম্যান। এ ধরনের সিদ্ধান্তে মার্কিন ক্রেতাদের জীবন বিঘ্নিত হবে।

এতে মার্কিন নাগরিকদের জীবন আরও নিরাপদ হবে সেই সম্ভাবনা নেই, বরং মার্কিনদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে।

মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সfম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন ।

আলোচনায় মার্কিন বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ রবার্ট লাইথিজারের কথা বলেন পল ক্রুগম্যান। তিনি বলেন, তার এই বন্ধু ওয়াশিংটনে বাণিজ্য সংরক্ষণবাদী হিসেবেই পরিচিত। বাণিজ্যের জগতে তিনি এক রকম শয়তান হিসেবে পরিচিত, যদিও নিজের কাজটা তিনি খুব ভালো বোঝেন, সে কারণে সব মহলেই তিনি শ্রদ্ধার পাত্র। তিনি স্বাধীনচেতা মানুষ; সে কারণে ট্রাম্প প্রশাসনে তার ঠাঁই হয়নি। হলে তিনি হয়তো বলতেন, বাংলাদেশের পণ্যে শুল্ক আরোপ করা যাবে না। 

জাতীয় নিরাপত্তার কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বন্ধুস্থানীয় ও প্রতিবেশী দেশেও উৎপাদন করা প্রয়োজন, এতে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর ভরসা করা যায়। এই উভয় বিবেচনায় বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কানাডা ও মেক্সিকোর মতো দেশের পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা ঠিক হয়নি বলে মনে করেন তিনি।

বাণিজ্য-ঘাটতি প্রসঙ্গে ক্রুগম্যান বলেন, সব দেশই কিছু না কিছু পণ্য উৎপাদন করে যে পণ্য এক দেশ তৈরি করে না, সেটা তারা আরেক দেশ থেকে আমদানি করে।

এখন কথা হচ্ছে, প্রতিটি দেশের সঙ্গেই যে বাণিজ্য ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে, এর কোনো কথা নেই। সবকিছুই হতে পারে। কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্য–ঘাটতি থাকার অর্থ এই নয়, যে দেশের হাতে উদ্বৃত্ত আছে, সেই দেশ অন্যায্য বাণিজ্যনীতি অনুসরণ করছে। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের মানুষেরা এসব বিশ্বাস করেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech