শিরোনাম :
আজই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে: রুবিও অ্যাঙ্গোলায় সোনার খনিতে ধস নিহত ২৮ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭০ বাংলাদেশি সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৪৫ রাজধানীর কালশী এলাকায় এক বস্তিতে ভয়াবহ আগুন হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু: ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মিনার পথে হজযাত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ দেশে গরীবের চেয়ে ধনীদের সামাজিক সুরক্ষায় দ্বিগুণ ব্যয় হয়- গোালাম পরওয়ার ইউক্রেনে হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’ ছুড়েছে রাশিয়া -নিহত ৮০

হাতি কূটনীতি : পুতিনকে ৬ হাতি উপহার দিলেন মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান

  • ০২:১৪ পিএম, বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ক্রেমলিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লেইং। এ সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ছয়টি হাতি উপহার দিয়েছেন জান্তা প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং। গতকাল মস্কো সফরের সময় এই উপহার প্রদান করেন তিনি।

বুধবার ৫ মার্চ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের একাংশ জান্তাপ্রধানের হাতি উপহার দেওয়াকে রাশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যকার হাতি কূটনীতির অংশ বলে উল্লেখ করেছেন ইতোমধ্যেই। তাদের মতে, হাতি উপহার দেওয়া রাশিয়া ও মিয়ানমারের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি প্রতীকী প্রয়াস।

উপহারের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পুতিন বলেন, আপনার এই বন্ধুত্বপূর্ণ উপহারের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।হাতিগুলোকে ইতোমধ্যে মস্কোর চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে ছয়টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনেকে একে ‘হাতি কূটনীতি’ বলেও উল্লেখ করছেন। 

মস্কো সফরে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ক্রেমলিনের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, মিয়ানমারে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পরমাণু বিদ্যুৎ কোম্পানি রোসাটমের অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধানে মিয়ানমারে ১০০ মেগাওয়াটের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এই কেন্দ্র নির্মাণ শেষে পরিচালনার দায়িত্বও রোসাটমের হাতে থাকবে। 

বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের ২৫তম বার্ষিকীর কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, আমরা আমাদের বন্ধুত্বের ভিত্তির রজতজয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছি। মিয়ানমার ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

পুতিন আরও বলেন, ২০২৪ সালে দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় দুই মিত্রের নাম চীন এবং রাশিয়া। ২০২১ সালে যখন জেনারেল মিন অং হ্লেইংয়ের নেতৃত্বে এক অভ্যুত্থানে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করল সেনাবাহিনী, সে সময় জান্তাকে সমর্থন করেছিল মস্কো।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর জন্য অন্যতম প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সমরাস্ত্র সরবরাহের একটি বড় অংশ আসে রাশিয়া থেকে। সামরিক সহায়তার পাশাপাশি কৌশলগত সহযোগিতাও বাড়িয়েছে দুই দেশ। 

আগামী ৯ মে রাশিয়ার জাতীয় দিবস উপলক্ষে মস্কোতে সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। এই কুচকাওয়াজে অংশ নিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। জেনারেল মিন অং হ্লেইং আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech