।।বিকে রিপোর্ট।।
অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
সোমবার ১৭ নভেম্বর রায়ের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের, অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ন্যায়বিচার পাবে না সেটা সুস্পষ্ট ছিল। এই রায় আগে থেকে নির্ধারিত ছিল এবং পূর্বনির্ধারিত রায় ঘোষণা করার জন্য তারা শুধু নাটক মঞ্চস্থ করেছে।
জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোর সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলেও ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এটা সুনিশ্চিতভাবে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালের রায় বাংলাদেশের জনগণ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছে। এই রায় বাংলার জনগণ মানে না।
অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালের রায় শেষ কথা নয়। এই দেশবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করে অদূর ভবিষ্যতে দেশের জনগণ নতুন রায় দেবে। জনগণের সেই রায়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা হবেন নন্দিত, আর খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস হবে নিন্দিত। তাই অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে প্রহসনমূলক বিচারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
অন্য আরেক পোষ্টে ভিডিও বার্তায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশে সরকারি নির্দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক।
তিনি বলেন, অবৈধ আদালত যে মামলার রায় দিয়েছে সেটি ১৪ অগাস্ট শুরু করে ১৭ই নভেম্বর মামলা শেষ করেছে। ৮৪ জন সাক্ষীকে সামনে রেখে ৫৪ জনকে হাজির করে ২০ দিনে মামলা শেষ করেছে। এই দুই মাসের মধ্যে মাত্র ২০ দিন আদালত চলেছে। এর প্রধান বিচারক গত এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন । তারপরেও প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়ে মানুষের প্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে, বলছিলেন নানক।
তিনি বলেন, অচিরেই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবো।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও রায়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।