শিরোনাম :
জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রশংসিত বাংলাদেশের বিনিয়োগ নীতি র‌্যাবের পরিবর্তে এসআরবি গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন দেশজুড়ে ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর বিষয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ ‘আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন চেয়ে জামায়াত আমিরকে কল করেছিলেন ড. ইউনূস ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১২৫২ রোগী শুভ জন্মাষ্টমীতে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নিলামে বিক্রীত সম্পত্তির ওপর ভ্যাট আরোপ অবৈধ: হাইকোর্ট রাঙ্গামাটিতে ২৩ হাজার ৬শ’ গাছের চারা বিতরণ

‘আমি বাংলায় গান গাই’ শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় আর নেই

  • ০২:৩২ পিএম, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

||বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
‘আমি বাংলায় গান গাই’ খ্যাত ভারতীয় শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় আর নেই।

শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টার দিকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে ভুগছিলেন প্রতুল, ছিলেন আইসিইউতে। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন শিল্পী। এর মধ্যে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের শরীরে একটি অস্ত্রোপচার হয়। এরপর তার হার্ট অ্যাটাকও হয় এবং তিনি আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এরপর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। গত সোমবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়।

১৯৪২ সালের ২৫ জুন অবিভক্ত বাংলার বরিশালে জন্ম প্রতুলের। বাবা প্রভাতচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। মা বাণী মুখোপাধ্যায় ও প্রতুলকে নিয়ে দেশভাগের পর তিনি ওপার বাংলায় চলে যান। থাকতে শুরু করে চুঁচুড়ায়। অল্প বয়স থেকে কবিতায় সুর দিতেন প্রতুল। কবি মঙ্গলচরণ চট্টোপাধ্যায়ের ‘আমি ধান কাটার গান গাই’ কবিতা দিয়ে শুরু।

প্রতুল নিজেও গান লিখতেন, অথচ প্রথাগত সঙ্গীতশিক্ষা ছিল না। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও চিকিৎসকদের ‘আমি বাংলায় গান গাই’ শোনান তিনি। তবে এই একটিই  নয়, প্রতুল অনেক জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা।

তাঁর প্রথম অ্যালবাম ‘পাথরে পাথরে নাচে আগুন’ (১৯৮৮)। তবে সেটি একক অ্যালবাম নয়। ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত ‘যেতে হবে’ প্রতুলের প্রথম একক অ্যালবাম, আর শেষ অ্যালবাম ‘ভোর’ (২০২২)। এই অ্যালবামে সংকলিত হয়েছে তাঁর অপ্রকাশিত গানগুলো।

তার আলোচিত অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পাথরে পাথরে নাচে আগুন’ (১৯৮৮), ‘যেতে হবে’ (১৯৯৪), ‘ওঠো হে (১৯৯৪), ‘কুট্টুস কাট্টুস’ (১৯৯৭), ‘স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’ (২০০০), ‘তোমাকে দেখেছিলাম’ (২০০০), ‘স্বপনপুরে’ (২০০২), ‘অনেক নতুন বন্ধু হোক’ (২০০৪), ‘হযবরল’ (২০০৪), ‘দুই কানুর উপাখ্যান’ (২০০৫), ‘আঁধার নামে’ (২০০৭)। বাংলাদেশে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের সর্বশেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ২০১১ সালের মার্চে।  

‘আমি বাংলায় গান গাই’ ছাড়াও তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আলু বেচো’, ‘ছোকরা চাঁদ’, ‘তোমার কি কোনও তুলনা হয়’, ‘সেই মেয়েটি’, ‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ’ ইত্যাদি। নিজের গানে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার কখনওই পছন্দ করেননি তিনি। কিন্তু তাঁর গাওয়া গান মগ্ন করে রাখত শ্রোতাকে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech