শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া: প্রতি টনে ১০ ডলার কমে ইউরিয়া সরবরাহের প্রস্তাব মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সহ দেশের ৯ অঞ্চলে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী ২৭ দিনে এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স জাপানে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, আহত সারজিস-নাসীরুদ্দীন সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মে থেকে জুলাই পর্যন্ত গ্রেপ্তার ৩৯ হাজার আজ থেকে বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হেপাটাইটিস মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান হানালেন প্রধানমন্ত্রী

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ১২:৩১ পিএম, শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক নিরাপত্তার এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার ১৪ মার্চ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানি ভাতা দেওয়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল বিএনপি। এর ফলে দেশের হাজার হাজার মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং মন্দির, বিহার ও গির্জার সেবকরা প্রথমবারের মতো সরাসরি রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় এলেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদে মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা পাবেন।

এ ছাড়া প্রতি চার্চের জন্য ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারমধ্যে পালক/যাজক ৫ হাজার ও সহকারী পালক/যাজক ৩ হাজার টাকা পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ অনুষ্ঠানে সম্মানির পাশাপাশি উৎসব বোনাস প্রদানের ঘোষণাও দেন। তিনি জানান, মসজিদে কর্মরতদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুবার বোনাস দেওয়া হবে।

অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদান করা হবে। তবে যে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকারি বা বিদেশি সংস্থার নিয়মিত অনুদান পায়, তারা আপাতত এই সুবিধার বাইরে থাকবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech