শিরোনাম :
টাইব্রেকারে কলম্বিয়ার বিদায়, ৭২ বছর পর কোয়ার্টারে সুইজারল্যান্ড সাজেক ভ্যালি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও অসাধারণ জয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে আর্জেন্টিনা পানিতে তলিয়ে গেছে রেল লাইন: পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল, চট্টগ্রামে আটকা হাজার যাত্রী এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা: অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি মিয়া গোলাম পরওয়ারের বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত খামেনির দাফন প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইরানে মার্কিন হামলা: কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এফডিআই প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের : আঙ্কটাড শান্তিমিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ১৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা: অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি মিয়া গোলাম পরওয়ারের

  • ১১:২২ এএম, বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে ডেস্ক।।
সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

পাশাপাশি হামলার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার ৭ জুলাই সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত ৬ জুলাই সোমবার রাতে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠ এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে যে কাপুরুষোচিত ও বর্বরোচিত ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, উদ্বেগজনক ও ন্যক্কারজনক।

এই হামলায় দলটির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। চারজন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমি এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।

বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এ ধরনের হামলা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিরই বহিঃপ্রকাশ। সমাবেশের শুরুতে আকস্মিক বিদ্যুৎ চলে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে মঞ্চের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর বিষয়টি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি সমাবেশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে না পারা স্থানীয় প্রশাসনের স্পষ্ট ব্যর্থতা। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ঘটনায় প্রমাণিত হয়, এ ঘটনার সঙ্গে প্রশাসন জড়িত। দেশবাসী মনে করে, প্রশাসনের যোগসাজশেই সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটাতে দুঃসাহস দেখিয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, একটি সুস্থ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান শর্তই হলো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। রাজনীতিতে সহিংসতা, বোমাবাজি ও খুনের পরিকল্পনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখা উচিত, অতীতে যারা ককটেল ও বোমাবাজির রাজনীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে, তাদের পরিণতি শুভ হয়নি।

প্রশাসনের উদেশে জোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো রকম রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব না করে, এই হামলার ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার রহস্য এবং এই হামলার নেপথ্যের কুশীলবদের অনতিবিলম্বে খুঁজে বের করতে হবে। প্রশাসনের সহায়তায় হামলা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কঠোর ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাচ্ছি।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech