শিরোনাম :
ককরোচ আন্দোলনে সমর্থন ও যোগ দেওয়ার ঘোষণা মমতার তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ভুঁই: আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ অবশেষে দেশে ফিরলেন হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা ‘বাংলার জয়যাত্রার’ ১৭ নাবিক নাটোরে খাল খননের উদ্বৃত্ত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে ভাইরাল ভিডিওর পর দ্বিতীয় বিয়ের দাবি:এমপি নজরুলের সঙ্গে নারীর ভিডিওর খবরে ‘নজর রাখছে’ জামায়াত ইরানে টানা মার্কিন হামলা: ১১তম দিনেও একের পর এক বিস্ফোরণ জুয়া ও অর্থ লেনদেন তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের অযোগ্য করার প্রস্তাব ১৭ অঞ্চলে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে শহীদ জিয়ার রাজনীতিক হয়ে ওঠার পেছনে অন্যতম কারিগর ছিলেন যাদু মিয়া: তথ্যমন্ত্রী

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

  • ০৫:০২ পিএম, রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন সুরক্ষায় টানা তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ।

সোমবার ১ জুন থেকে শুরু হয়ে এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এ সময় জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালী এবং পর্যটক কেউই সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারবেন না।

বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট মাস সুন্দরবনের অধিকাংশ মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে নদী-খালে মাছ ডিম ছাড়ে, বন্যপ্রাণিদের প্রজনন ঘটে এবং বিভিন্ন গাছের বীজ থেকে নতুন চারা গজায়। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্বিঘেœ রাখতে প্রতিবছরের মতো এবারও তিন মাসের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পাস-পারমিট ইস্যু করা হবে না। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বনে প্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বন কর্মকর্তারা বলছেন, পর্যটক ও বনজীবীদের নৌযান চলাচলের কারণে বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজনন ব্যাহত হয়। তিন মাস বনকে নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশ দেওয়া গেলে মাছ, গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

তবে এ নিষেধাজ্ঞায় সুন্দরবননির্ভর হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালী পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বনজীবীদের জন্য সরকারি সহায়তার বিষয়ে বন বিভাগ ও মৎস্য বিভাগ কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে পর্যটননির্ভর নৌযান মালিক ও শ্রমিকরাও দীর্ঘ তিন মাস কর্মহীন সময় পার করবেন বলে জানিয়েছেন।

বুড়িগোয়ালিনী এলাকার কাঁকড়া জেলে জামাল হোসেন বলেন, তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য পাস বন্ধ করে দেওয়া মানে আমাদের মতো জেলেদের জন্য খুবই কষ্টকর।

জেলে আনিসুর বলেন, সুন্দরবনে যেতে না পারলে উপকূলের জেলেদের আর্থিক সংকটে পড়তে হয়। এসময় এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সংসার চালাতে হয়।

নীলডুমুর পর্যটকবাহী ট্রলারের মাঝি রিপন গাজী বলেন, পাস পারমিট বন্ধ থাকায় এই সময়ে সুন্দরবনে কোনো পর্যটক প্রবেশ করতে পারে না। আর এই পাস বন্ধ হওয়ায় আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হয়।

বনবিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ সময়ের মধ্যে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সূত্র-বাসস।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech