শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী গাজায় ইসরায়েলের হামলায় শিশুসহ চারজন নিহত ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীন সমঝোতা স্মারক সই- মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৭৭ মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে স্বস্তি: কড়া নিরাপত্তায় উৎপাদনে শ্রমিকরা সরকার বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করছে: নাহিদ ইসলাম

জোর করে চুল কেটে দেয়া বেআইনি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন: আসক

  • ০৯:৩৪ পিএম, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
জোরকরে কারও চুল, চুলের জট কেটে দেয়া অমানবিক, সংবিধান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানালো আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে—কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে এক পথচারীর চুল ও চুলের জট জোর করে কেটে দিচ্ছেন। এ ঘটনাকে সম্পূর্ণ অমানবিক, বেআইনি এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

বৃহস্পতিবার ২৫ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ সংস্থাটি।

বিবৃতিতে আসক বলেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে একজন পথচারীর চুল ও চুলের জট জোরপূর্বক কেটে দিচ্ছেন। এ ধরনের আচরণ সম্পূর্ণ অমানবিক, বেআইনি এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

মানবাধিকার সংগঠনটি বলছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রতিটি নাগরিককে আইনের আশ্রয়ে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার দিয়েছে। ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করেছে এবং ৩৫ নম্বর অনুচ্ছেদ কারও প্রতি নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ নিষিদ্ধ করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনটি বলেছে, প্রকাশ্যে জোর করে চুল কেটে দেয়া কেবল ভুক্তভোগীর মৌলিক অধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতারই লঙ্ঘন নয়, বরং এটি তার মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের ঘটনা সমাজে ভীতি, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী উল্লেখ করে আসকের বিবৃতিতে বলা হয়, দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনও নাগরিক এমন অবমাননা ও বেআইনি আচরণের শিকার না হন, সে জন্য রাষ্ট্রকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech