।।বিকে রিপোর্ট।।
ঢাকায় আসছেন মার্কিন প্রশাসনের দুই জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা। তারা হলেন- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক এবং পূর্ব এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নিকোল অ্যান চুলিক ও অ্যান্ড্রু আর হেরাপ।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাদের ঢাকায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে মিয়ানমারে নিযুক্ত মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সুসান স্টিভেনসনের।
কূটনৈতিক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
তাদের সফরে বাংলাদেশে চলমান সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা, মিয়ানমারের পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সংকটসহ ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের নানা বিষয়ে আলোচনা হবে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
গত ২০ জানুয়ারি যুক্তরাস্টের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেয়ার পর এটি হতে যাচ্ছে দেশটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের প্রথম বাংলাদেশ সফর।
সূত্র জানায়, আগামী ১৫-১৮ এপ্রিল ঢাকা সফর করার কথা রয়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের। তাদের মধ্যে ১৫ এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নিকোল চুলিকের। পরদিন ১৬ এপ্রিল ঢাকায় আসবেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ব এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু আর হেরাপ। ওই সময়ে মিয়ানমারে নিযুক্ত মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সুসান স্টিভেনসনও ঢাকায় আসবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশ সফরের সময় দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল চুলিক অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংস্কার প্রক্রিয়া বিশেষ করে গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এ ছাড়া, বাংলাদেশে চলমান সংস্কার নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে, সেই বিষয়ে জানতে চাইবেন। এ সফরের সময় তিনি সফরকালে বিএনপি, জামায়েত ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করতে পারেন।
অন্যদিকে, মিয়ানমারে নিযুক্ত মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সুসান স্টিভেনসন মিয়ানমার ইস্যু তথা রোহিঙ্গা পরিস্থিতিসহ সকল বিষয়ে দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।